শাহজাহান সরকার বিশেষ প্রতিনিধি।। সুরাইয়া এবং আসামি ডালিয়া পরস্পর সম্পর্কে চাচাতো বোন। অন্য আসামি আব্দুল লতিফ ডালিয়ার স্বামী।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ভিকটিমের দাদা-দাদী আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ও ভীতু হওয়ায়, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ভুয়া অপহরণের ঘটনা ঘটায়। ঘটনার দিন, ডালিয়া সুরাইয়াকে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে মিলিত হয় আব্দুল লতিফের সঙ্গে। পরে পরিত্যক্ত একটি ঘরে ডালিয়া সুরাইয়াকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে রেখে যায়। রাতের বেলায় তারা ফিরে এসে ভিকটিমকে মৃত অবস্থায় পায় এবং লাশটি স্থানীয় পুকুরে ফেলে দেয়।

পরবর্তীতে ১৭ জানুয়ারি আব্দুল লতিফের মোবাইল ব্যবহার করে ভিকটিমের দাদার কাছে তিনলক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুই আসামি আব্দুল লতিফ (জন্তিহার, ফরিদপুর)

ডালিয়া (ভিকটিমের চাচাতো বোন ও লতিফের স্ত্রী)কে  আজ ১৯ জানুয়ারি গ্রেফতার করা হয়েছে।

পাবনা জেলা পুলিশ দ্রুত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি অঙ্গীকার সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় গত ১৩ জানুয়ারি নিখোঁজ হয়।নিখোঁজের পাঁচ দিন পর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সুরাইয়া খাতুন (১৩)। সে ফরিদপুর উপজেলার বি.এল. বাড়ি ইউনিয়নের জন্তিহার গ্রামের মো. স্বপন খানের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

Share.

উপদেষ্টাঃ আলহাজ সিরাজ আহমেদ
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ রফিকুল ইসলাম রনি
প্রধান সম্পাদকঃ ইব্রাহিম রুবেল
বার্তা সম্পাদকঃ আব্দুল বারী
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
যোগাযোগঃ
৬/সি, আনেমা ভিস্তা (৭ম ফ্লোর), ৩০ তোপখানা রোড, ঢাকা ১০০০।
মোবাইলঃ ০১৮২৪২৪১০২৩, ০১৭১৯২৬৪০৪৫

Exit mobile version