আগামী জুনের মধ্যে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সোমবার ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে আসছেন। সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বরিশাল বিভাগে এটাই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত গৌরনদী দুইটি কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করবেন। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চল বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পথে সকাল সাড়ে দশটায় গৌরনদী পেঁৗছাবেন প্রধানমন্ত্রী। এখানে তিনি উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের পূন:খননকৃত বাটাজোর-সরিকল খালের পাশে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন এবং বাটাজোর অশ্বীনি কুমার ইনষ্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে গৌরনদীতে বরন করে নিতে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের দিকনির্দেশনায় ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর গৌরনদী আগমনে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব এমদাদুল হক পান্না জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী-দাওয়ার সুযোগ পেলে বাটাজোর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরের দাবী জানাবো। গৌরনদী উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ছাত্রনেতা বদিউজ্জামান মিন্টু জানিয়েছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রত্যাশা অনেক। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন প্রত্যাশা হলো ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সরু মহাসড়ককে ৬ লেন এবং গৌরনদীকে জেলায় রুপান্তর করা। সুযোগ পেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এই দুইটি দাবী তুলে ধরবো।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব জানান, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীকে বরন করে নেওয়ার অপেক্ষা। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর গৌরনদী সফর শান্তিপূর্ন করতে সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো গৌরনদীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার হানিফ সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অতিশ সরদার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার সৈয়দ তালহা আশরাফ, উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, থানার এস আই মোঃ রফিকুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মান্নান, বারাসাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম আলমগীর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ উজ্জ্বল শেখ, প্রাণি সম্পদ অফিসারের প্রতিনিধি প্রসেন বিশ্বাস। সভায় উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসারসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
■
খুলনার তেরখাদা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ ১২ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে এক অলোচনা সভা সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট এবং ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার সৈয়দ তালহা আশরাফের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মুজাহিদুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অতিশ সরদার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সীমা রানী মৃধা, উপজেলা তথ্য সেবা অফিসার তাছলিমা খাতুন, তেরখাদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজ্জামান, এফ ডব্লিউ এ ফাতেমা খাতুন, এফ পি আই কাজী সেলিউর রহমান, এফ ডব্লিউ ভি হাজেরা খাতুন, এস এ সি এম ও শেখ হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠান শেষে শ্রেষ্ঠ কর্মীদের মাঝে সম্মাননা সনদ ও ক্রেষ্ট এবং ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। জনসংখ্যা দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো, তারুন্যের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি।
■
আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে প্রয়োজনের তুলনায় গাছের সংখ্যা কম। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ রক্ষা এবং দেশকে আরও সবুজ করে তুলতেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পেয়েছে ১০ শিক্ষার্থী।
এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে ৯ জন ও সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী। তাদের এ সাফল্যে পরিবার, বিদ্যালয়, শিক্ষক এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নিয়মিত অধ্যয়ন, শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং পরিবারের সার্বিক সহযোগিতার ফলেই ওই শিক্ষার্থীরা এ সাফল্য অর্জন করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলো আহাদুল ইসলাম মোহাইমিন, সুলাইমান, জিএম সাব্বির আহম্মেদ মায়াজ, তন্ময় দাস, লাবীবা ইবনাত, তাইযোরা ইসলাম, তাসনীম রহমান, ইরিনা আফনান ও ইসরাত জাহান মরিয়ম। আর সাধারণ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থী হলো যুথি দাস।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমল কৃষ্ণ দাস বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা, পরিবারের সহযোগিতা এবং তাদের নিজের কঠোর পরিশ্রমই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা শুধু লেখাপড়ায় নয়, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক।
এদিকে আগরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি কতৃপক্ষ বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তারা তাদের মেধা, শৃঙ্খলা ও অধ্যবসায়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিদ্যালয়, পরিবার এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবেন।
■
গত ৫দিনযাবৎ অবিরাম বর্ষণের ফলে কপিলমুনি শহরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্য থেকে শুরু হওয়া বর্ষণে জনজীবন অচল ও ব্যবসা বানিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে।
বিরামহীন এবর্ষণে নিতান্ত জরুরী কাজ ছাড়া কোন ব্যাক্তি বাড়ি হতে বাইরেযেতে পারেনি। কখনও ভারি বর্ষণ আবার কখনও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। দিনভর আকাশমেঘলা রয়েছে। শহরের দোকান পাটঅধিকাংশ বন্ধ ছিল। হাট বাজার, রাস্তা ঘাট ফাকা, বাজারে খুলেরাখা দোকান পাটে কেনা বেচা নেই বললেও চলে। গরীব ও মধ্যবিত্তদেও জীবনেনেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এই বর্ষার কারনে শ্রমিক শ্রেনীর দুর্ভোগনেমে এসেছে চরমে। নদ-নদীর পানী স্বাভাবিকেরচেয়ে বৃদ্ধিপেয়েছে।বেশি জোরো বৃষ্টি শুরু হলে জনসাধারন ও ভ্যান,টেম্পু , নছিবন, করিমন চলা চল একেবারে কমে যায়। এ সুযোগে ভ্যান চালকরাও ভাড়া দ্বিগুন বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে পানের বরজ,উঠতি ফসল , তরিতরকারি,ফসলী জমি পানিতে প্লাবিতসহবেশ কাঁচা ঘর বাড়ি ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে।ঘের মালিকেরা ঘেরে মাটিদিয়ে আটকিয়ে রাখার জন্য মরণপনচেষ্টা চালিয়েযাচ্ছে। এ দিকে অবিরাম বর্ষণের কারণে বাজারে চাল,ডাল,তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যেও মূল্য বৃদ্ধিপেয়েছে। বাজারেমোটা চালের মূল্যকেজি প্রতি ২ টাকা বৃদ্ধিপেয়েছে। তরিতরকারির মূল্য ও বৃদ্ধিপেয়েছে। সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শ্রমিক শ্রেনীর দুর্ভোগ নেমে।খেটে খাওয়া দীনমজুররা বাড়িতে বসে অলস সময় কাটাছে।কোথাও কোন কাজ নেই। কাজের অভাবে দিন আনা দিন খাওয়া লোকদের চরম দুর্ভোগপোহাতে হচ্ছে।ছেলে-মেয়ে পরিবার নিয়ে অনেকেই অধ্যাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লতাচাপলী ইউনিয়নের নাইউরিপাড়া গ্রামে মিলি আক্তার মায়া (২৩) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি একই এলাকার ট্রাক শ্রমিক নাঈম (২৫)-এর স্ত্রী। জানা গেছে নিহত মিলি চাঁদপুর জেলা খোরশেদ আলম এর মেয়ে বলে জানা যায়।
খুব ভোরে নিজ বাড়িতে মিলি আক্তার মায়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার স্বামী নাঈম। পরে তিনি ডাক- চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং বিষয়টি মহিপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়।
জানা গেছে, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রায় দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
■
আশাশুনি উপজেলার দুর্গম এলাকা কোলা-ঘোলা ত্রিমোহনায় থ্রি-নজ সেতু নির্মান কল্পে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুর রউফ। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৯.৩০ টায় তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ৭/৮টি ইউনিয়নের দুর্গম এলাকার মানুষ নদী পার হয়ে কিংবা দীর্ঘ সড়ক পথ অতিক্রম করে উপজেলা ও জেলা শহরে অতি কষ্টে যাতয়াত করে থাকে। দুর্গম পথে গর্ভবতী মহিলা, রোগী, বৃদ্ধ মানুষ বা জরুরী কাজের জন্য যাতয়াত করা খুবই কষ্টকর। তাছাড়া ত্রিমোহনায় নৌকায় খেয়া পারাপারও ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে থ্রি-নোজ সেতু নির্মীত হলে দুর্গম এলাকার ৭/৮ টি গ্রামের মানুষ অর্ধেকেরও কম সময়ে এবং স্বল্প খরচে উপজেলা, জেলা শহর এবং খুলনা-যশোরে যাতয়াত করতে পারবে। আশাশুনির কোলা-ঘোলা ও কল্যাণপুরে প্রস্তাবিত ব্রিজের স্থান পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুর রউফ তিন পারের শত শত মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। সচিব আব্দুর রউফ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে সুন্দর পরিবেশে দেশকে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি সেল খোলা হয়েছে। সেলে এমপি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ডিও লেটার জমা দিচ্ছেন। সাতক্ষীরা-০৩ আসনের এমপি মহোদয়ের ডিও লেটারে এখানে সেতু নির্মানের দরকারের কথা বলেছেন। বিএনপি-জামায়াত ও স্থানীয় জনগণও একই দাবী করছেন। আমরাও এই দাবীর সাথে একমত পোষণ করছি। আমরা স্টাডি করছি, কোন এলাকায় সেতু করলে মানুষ বেশী উপকৃত হবে, তা বুঝতে এসেছি। সমীক্ষা করে কোন দিক দিয়ে করলে ভাল হবে সেদিক দিয়ে করা হবে। তিনি আরও বলেন, সেতু বিভাগ ১.৫০ কিঃমিঃ এর উপরের সেতু নির্মান করে থাকে। এখানে সেই পরিমাণ দীর্ঘ হলে আমরা দ্রুত কাজ করতে চেষ্টা করবো। কম হলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ করবে। কম হলে আমরা তাদেরকে করতে বলবো।
এ সময় সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় সেতু বিভাগের অতিঃ সচিব (ফাইনান্স) শেখ আঃ সামাদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমীর আলহাজ্ব নুরুল আফছার মোর্তজা, অফিস সেক্রেটারী মাওঃ রুহুল কুদ্দুছ, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শেখ আঃ রশিদ, আঃ আলিম, সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, বাজার কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন প্রিন্স, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী, শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক দীপঙ্কর বাছাড় দিপু, অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, শ্রীউলা জামায়াত আমীর মাওঃ লুৎফর রহমান, শ্রীউলা বিএনপির সভাপতি রফিকুজ্জামান ছট্টু, প্রবাসী মাসুদুর রহমান কাজলসহ জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির উপজেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
■
উপজেলার ছাগলাদাহ বুড়ো মায়ের গাছতলা মন্দিরের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে এক সভা সম্প্রতি মন্দির চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। মন্দির কমিটির চলমান সভাপতি সূর্যকান্ত ঢালীর সভাপতিত্বে এবং আজগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ মেনন রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ছাগলাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক এস এম এমদাদুল হক, বারাসাত ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোঃ মোবাস্বার আলম, ছাগলাদাহ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ মাসুম কাজী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ উকিল সিং। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, পূজা পরিষদ নেতা অরবিন্দ প্রসাদ সাহা, বিএনপি নেতা সমীর কুমার সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও সরকারি নর্থ খুলনা কলেজের প্রভাষক বিপ্লব কুমার সিকদার, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সংকর কুমার বালা, সহকারী অধ্যাপক প্রসেন কুমার বিশ্বাস, প্রজেশ রায়, নির্মল অধিকারী, মধুসূদন মজুমদার, সমীর কৃষ্ণ ঢাল্লী, অবঃ শিক্ষক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস, সুবাস বাওয়ালী, পার্থ বরণ বিশ্বাস অভি, সাংবাদিক রিপন বিশ্বাস, শিবু সরকার, গৌর বিশ্বাস, শিবপদ দাস, সমরেশ মুনি, রতন কর্মকার, রেপতি মন্ডল,। সভায় এছাড়া ৬ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। সভাশেষে অরবিন্দ প্রসাদ সাহাকে সভাপতি, সমীর কৃষ্ণ ঢালীকে সাধারণ সম্পাদক, কার্ত্তিক রায়কে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পরিমল কান্তি মন্ডলকে কোষাধ্যক্ষ করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
■