বিজ্ঞাপন
ই-পেপার
সংস্করণ
ঢাকা রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরী
www.dailyranggaprovat.com
Lead News

কলারোয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

দেশব্যাপী ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ এবং মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে কলারোয়ায়  পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধনের অংশ হিসেবে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ প্রশাসন, রোভার স্কাউট, কলারোয়া পৌরসভা প্রতিনিধি এবং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ রহচ উদ্দীন, সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ মোল্লা, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, উপজেলা স্কাউটস এর সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মনিরুজ্জামান প্রমুখ।     

উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা।

আইনি পদক্ষেপ, জেল বা জরিমানা করে কতো মানুষকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব-তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, আইন প্রয়োগের চেয়ে মানুষের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়াই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। আমরা যদি সকল স্থান পরিচ্ছন্ন রাখি এবং জমে থাকা পানি দূর করি, তবে এডিস মশার আবাস্থল ধ্বংস করা সম্ভব হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলারোয়ার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সকল স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে নিজস্ব আঙিনা পরিষ্কার রাখা হয় এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে এক র‍্যালি বের করা হয়। 



দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

 দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে কেরেক্স মাদকসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং-০৩। পুলিশ জানায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীনের নেতৃত্বে দেবহাটা থানায় কর্মরত এসআই বেলায়েত হোসেন সঙ্গীয় এএসআই হান্নান মিয়া ও এএসআই সাগর আলী দেবহাটা থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ইং-১১/০৯/২০২৬ তারিখ রাত সাড়ে ১০টার দিকে দেবহাটা থানার ০১ নং কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরা গ্রামস্থ আব্দার আলী শাহ এর বসত বাড়ির সামনে ইটের সোলিং রাস্তার উপর হতে স্থানীয় জনতার সহযোগীতায় ১০ বোতল মাদকদ্রব্য উইনকেরেক্স মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী আব্দার আলী শাহ (৪৬), পিতা-মৃত মারফত শাহ, মাতা- মোছাঃ কুলসুম শাহ, সাং- বহেরা, থানা- দেবহাটা,  জেলা-সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন। এবিষয়ে এসআই বেলায়েত বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে। সেই চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আটককৃত আসামীকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক আসামীকে ইং-১২/০৯/২০২৬ তারিখ বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আগৈলঝাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি

সারাদেশের ন্যায় বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং ৩ মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা মিলানায়তনে আলোচনা সভা ও পরিষদ চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ নয়, নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। মশার লার্ভা জমে থাকার মতো স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তিনি ডেঙ্গুমুক্ত উপজেলা গড়তে সর্বস্তরের জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান।

উদ্বোধন শেষে উপজেলা চত্বর ও আশেপাশের এলাকায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোর্শেদ সজিব, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি শামীমুল ইসলাম শামীম।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুনীতি কুমার সাহা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মানিক মল্লিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী মৃধা, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ছিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শাহ মো. বখতিয়ার, আবুল হোসেন মোল্লা, আইসিটি কর্মকর্তা মাইনুদ্দিন রাসেল, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এইচ এম শাহাদাত, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আবদুস সালাম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সজল দাস, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম সরদার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সবুজ মিয়া, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান মিয়া, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক, উপজেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. রাসেল ফিরোজ, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব দীনেশ চন্দ্র হালদার, প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কচুয়ায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের কচুয়ায় বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ১২ সেপ্টেম্বর যথাযথ পুলিশ প্রহরায় তাঁদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

​গ্রেফতারকৃতরা হলেন—কচুয়া থানাধীন ০৩ নম্বর মঘিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার মল্লিক (৬৫) এবং একই ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি সনজয় পাইক (৪৯)। অ্যাডভোকেট দিলীপ কুমার মল্লিক বড় আঙ্গারমানিক গ্রামের মৃত কুমুদ বিহারী মল্লিক এর ছেলে। সনজয় পাইক মঘিয়া গ্রামের নিত্যানন্দ পাইক এর ছেলে।

​পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া থানার মামলা নম্বর-০৫ (তারিখ: ৩০/০৯/২৫ খ্রি., জিআর- ৭৫/২৫)-এর পেনাল কোডের ১৪৩/৩৪১/৩০৭/১০৯ ধারা, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩)/২৫(ডি) ধারা এবং ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক উপাদান আইনের ৩/৪/৫ ধারার আওতায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

​পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কড়া পুলিশ নিরাপত্তায় গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে কচুয়া থানা পুলিশ।

নড়াগাতীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ সভা

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের নড়াগাতীতে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সভায় বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং মাদক ব্যবসায়ী ও কারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেল ৫টায় নড়াগাতী থানা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য দেন নড়াগাতী থানা বিএনপির সভাপতি খান মতিয়ার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শেখ বুলবুল কবির, থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ তরিকুল ইসলাম ও সদস্যসচিব চৌধুরী সাখায়েত হোসেন (ঝুনু)।

বক্তারা বলেন, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন এবং এ বিষয়ে মাইকিংও করেছেন। কিন্তু নড়াগাতী থানায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

নড়াইলের মূলশ্রী যুব সমাজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার মূলশ্রী গ্রামে ‘ঐতিহ্যবাহী মূলশ্রী যুব সমাজের’ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, শিক্ষা উপকরণ ও নগদ অর্থ উপহার প্রদান করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে চাপাইল, মূলশ্রী ও চর মধুপুর শামসুল উলুম মাদ্রাসার জন্য একটি হাই-ভোল্টেজ সাউন্ড সিস্টেম প্রদান করা হয়।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মূলশ্রী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসএসসি কৃতী শিক্ষার্থী এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নগদ অর্থ উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া মূলশ্রী গ্রামের সব শিক্ষার্থীর হাতে ডায়েরি, কলম ও ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ শেখ সাখাওয়াত হোসেন। সঞ্চালনা করেন সিকদার আহমেদুজ্জামান মিরাজ।

এ সময় বক্তব্য দেন মাওলানা মাহফুজুর রহমান, ইকরাম চৌধুরী, কায়কোবাদ সিকদার, মাওলানা রেজাওনুর রহমান কাসেমী, কামরুজ্জামান হিটু, ওহিদ শেখ, শেখ গোলাম কবির তপন, ইমরান শেখ, তারিখ শেখ  ডুয়েল সিকদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শেখ আলিমুল ইসলাম, সিকদার রানা আহমেদ, ইসলাম চৌধুরী, শেখ আবির, শেখ নুর ইসলাম, শামীম সরদার সহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে প্রবাসে অবস্থান করেও সংগঠনের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখায় সিকদার শহিদুল ইসলাম ও সিকদার তায়েজ এবং জোবায়ের এর নেতৃত্বে সকল প্রবাসীর ত্যাগ, সহযোগিতা ও উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়। তাঁদের আর্থিক সহায়তা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় সংগঠনের চলমান জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হচ্ছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

জানা যায়, ২০২৩ সালে সংগঠক ও সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরীর উপস্থিতিতে মোঃ জুবায়ের, তাসেজ সিকদার, আলীসহ মূলশ্রী গ্রামের একঝাক  যুবকদের অংশগ্রহণে এক ভোজের মধ্য দিয়ে ‘ঐতিহ্যবাহী মূলশ্রী যুব সমাজের’ যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি নীরবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।

এরই মধ্যে সংগঠনটির উদ্যোগে ভোজের আয়োজন, রমজান মাসে গ্রামবাসীর জন্য ইফতার, কবরস্থানে মাটি ভরাটসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হয়েছে। এসব উদ্যোগ স্থানীয়দের প্রশংসা অর্জন করেছে।

সংগঠনের সদস্যরা জানান, যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে সামাজিক দায়িত্ব পালন, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং এলাকার কল্যাণে কাজ করাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।

শ্রীউলায় জামায়াতের যুব বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা)
News

আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শ্রীউলার মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে শ্রীউলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ লুৎফার রহমানের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি আশরাফুল আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ইউসুফ, সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইসমাইল হোসেনসহ জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

আগৈলঝাড়া পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৫ জন আসামি গ্রেপ্তার

রাঙা প্রভাত ডেস্ক

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৫জন মাদক

ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, মাদক বিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় উপজেলার বেলুহার গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে শান্ত সন্যামত (২৫), ছয়গ্রাম এলাকার সন্তোষ বাড়ৈর ছেলে মিঠুন বাড়ৈ (২৬) কে শান্ত সন্যামতের মাছের ঘেরের পাশ থেকে ৩০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া একই রাতে উপজেলার উত্তর শিহিপাশা গ্রামের হাবিব সরদারের ছেলে আহাদ সরদার (২৫), ফুল্লশ্রী গ্রামের ইউনুস পাইকের ছেলে অন্তর পাইক (২১) ও পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের টিএম সেলিমের ছেলে জিহাদ ইবনে সেলিম জয় (২৪) কে সুজনকাঠি এতিমখানা মোড় থেকে ৫ পিচ ইয়াবা ও ১০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত ৫জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য

নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত ৫ জন আসামিকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা বাজারে নদী ভাঙ্গনে আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা)

আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গায় মরিচ্চাপ নদীর পাড় নদী ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে শত বছরের পুরনো গোয়ালডাঙ্গা বাজারের বড় অংশ নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে। সাথে একটি জামে মসজিদ এবং শত শত পরিবারের বসতভিটাও হুমকীতে আছে। 

মরিচ্চাপ নদীর প্রবল স্রোতে নদীন পাড় ধসে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। অস্থায়ী ভাবে বালিভর্তি বস্তা ফেলানোর কাজ করা হলেও তেমন কোন কাজে আসেনি। পানির স্রোতে বস্তার নিচের মাটি সরে যাওয়ায় আবারও নতুন ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। দ্রুত সংস্কার বা প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ নির্মাণ করা না হলে এই অঞ্চলের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এসব স্থাপনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরে মরিচ্চাপ নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ভাঙতে ভাঙতে নদী এখন লোকালয়ের একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র গোয়ালডাঙ্গা বাজার এবং শত বছরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গোয়ালডাঙ্গা জামে মসজিদ। 

ইতিমধ্যে বেশ কিছু  গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে খুব দ্রুতই বাজার, মসজিদ ও বিস্তীর্ণ বসতবাড়ি নদীতে ধসে পড়তে পারে। 

বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মুকুল শিকারী জানান, নদীর পাড় ভেঙে বড় বড় মাটির স্তুপ ধসে পড়ছে স্রোতের বুকে। আতঙ্কে দিন কাটছে নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের। অনেক পরিবার ইতিমধ্যে তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীরা চরম লোকসানের আশঙ্কায় দিন গুনছেন। মসজিদটিতে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা সবসময় অজানা আতঙ্কে থাকেন। 

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের আকুতি: বাজারটি আমাদের রুটি-রুজির একমাত্র স্থান এবং মসজিদটি আমাদের আবেগের জায়গা। ঘরবাড়ি হারালে আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা থাকবে না। আমরা নিঃস্ব হয়ে যাব। এখনই যদি জিও ব্যাগ ডাম্পিং বা সাময়িক কোনো প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ রক্ষার আর কোনো সুযোগ থাকবে না। তাদের দাবি, অবিলম্বে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ সংস্কারের কাজ করা হোক।

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আজহারুল ইসলাম মন্টু জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় আছেন এবং দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে এক বিশাল মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক্সেনের কাছে নদী ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, গোয়ালডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন বাঁধ ভাঙ্গন স্থান আমি পরিদর্শন করেছি। এমপি মহোদয়ও পরিদর্শন করেছেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলীকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। বিষয়টি আমি আবারও খোজ খবর নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করবো। 



বাগেরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সারাদেশের ন্যায় বাগেরহাটের কচুয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং ৩ মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে কচুয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা মিলানায়তনে আলোচনা সভা ও পরিষদ চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমির সালমান রনি।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আমির সালমান রনি বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ নয়, নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। মশার লার্ভা জমে থাকার মতো স্থানগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।" তিনি ডেঙ্গুমুক্ত কচুয়া গড়তে সর্বস্তরের জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

​উদ্বোধন শেষে উপজেলা চত্বর ও আশেপাশের এলাকায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

​অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী  কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা,ওসি তদন্ত হারুনর রশিদ,সমাজসেবা কর্মকর্তা  মোঃ হাসিবুর রহমান,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রায়হান হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ আলী হাসান,  বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ হাসান ইমাম, ডা: জান্নাতুন নাইমা,  কচুয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ  সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার দাস, জামায়াতে ইসলামের আমির  সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী  ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নড়াগাতীর মূলশ্রী চায়ের দোকানে অগ্নিকান্ড

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের মূলশ্রী গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় দেলোয়ার চৌধুরীর চায়ের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ধারণা, পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় দোকানদার দেলোয়ার চৌধুরী নড়াগাতী থানায় অভিযোগ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য ও কারণ উদ্‌ঘাটন করবে।

নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে আমরা সচেষ্ট আছি।”

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পুলিশি তদন্তের পরই আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী

তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জলসীমার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ সমুদ্রে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জলসীমায় সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায়  গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর  বঙ্গোপসাগরে টহলকালে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় থাকা মৎস্য ট্রলার ‘এফবি নাঈম’-সহ ১২ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ পদ্মা।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকার, বৈরী আবহাওয়া ও সী স্টেট ৪-এর উত্তাল সমুদ্র পরিস্থিতিতে বানৌজা পদ্মা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার তীব্র অনুসন্ধান শেষে রাডারের মাধ্যমে ভাসমান ট্রলারটি শনাক্ত করে। রাত প্রায় সাড়ে দশটায় বানৌজা পদ্মা সফলভাবে ‘এফবি নাঈম’ ও এতে থাকা ১২ জন জেলেকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে নৌবাহিনীর সদস্যরা জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করেন। এছাড়া মাছ ধরার সময় আহত একজন জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যেই বানৌজা পদ্মা ট্রলারটিকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার টোয়িং করে সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চরে অবস্থিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের নিকট নিরাপদে নিয়ে যায়। পরে ট্রলারসহ উদ্ধারকৃত ১২ জন জেলেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

জেলেদের ভাষ্যমতে, ট্রলারটি গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পায়রা বন্দর হতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়। পরবর্তীতে ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ আনুমানিক রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং এটি ১২ জন জেলেসহ বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যেও সমুদ্রে বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে পৌঁছে দিতে যেকোনো ঝুঁকি গ্রহণে প্রস্তুত বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি নৌবাহিনী দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এমন মানবিক ও উদ্ধার  কাজে অসামান্য ভূমিকা পালন করছে।