বিজ্ঞাপন
ই-পেপার
সংস্করণ
ঢাকা সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৭ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরী
www.dailyranggaprovat.com
Lead News

কলারোয়া ফুটবল মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

 কলারোয়া ফুটবল মাঠ সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এ উপলক্ষে আলহাজ্ব শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সভাপতিত্বে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিশদ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার কলারোয়া হাইস্কুল মার্কেটে অনুষ্ঠিত এ সভায় সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মীর রফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা বাফুফে সদস্য সাইফুল ইসলাম বাবু,  ফ্রেন্ডস্ স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল করিম লাভলু, ক্রীড়া সংগঠক মমতাজুল ইসলাম চন্দন,  অ্যাড. কাজী আবদুল্লাহ আল হাবিব, সাংবাদিক জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কাজী সিরাজুর রহমান, মোর্তজা হাসান, শেখ সালাউদ্দিন, ফুটবল কোচ মাসউদুল ইসলাম মাসুদ, রেফারি ফারুক হোসেন স্বপন ও সাজেদুল করিম তপু, ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার শিক্ষক শেখ শাহাজাহান আলী শাহিন, সাংবাদিক সানবিম করিম সিয়াম  প্রমুখ। সভায় কলারোয়া ফুটবল মাঠ সংরক্ষণ ও সঠিক পরিচর্যার লক্ষ্যে একটি মাঠ ব্যাবস্থাপনা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আলহাজ্ব শেখ তামিম আজাদ মেরিনকে সভাপতি ও মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের এই মাঠ সবধরনের ক্রীড়া পরিচালনা, শরীরচর্চা, রাজনৈতিক সভা, ওয়াজ মাহফিল, বিভিন্ন বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র। একই সাথে সকাল-সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের ব্যায়ামের কেন্দ্রস্থল ও শিশুদের খেলার স্থান। কিন্তু বর্তমানে মাঠটি একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সে লক্ষ্যে কলারোয়া সরকারি পাইলট হাইস্কুলের ফুটবল মাঠকে সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য এবং  মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করাসহ মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপস্থিত সকলেই। 


শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও কসমেটিক জব্দ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারের  শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন  থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও কসমেটিকস জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী  টাস্কফোর্স।

গত শনিবার ২২ আগস্ট  বিকাল  ৩টার দিকে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি), হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি), র‍্যাব ও মৌলভীবাজার  জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে  শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুবুল হক, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষে শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় অবৈধ পণ্য পাচারের তথ্য পেয়ে যৌথ বাহিনী  টাস্কফোর্সের একটি চৌকস আভিযানিক দল শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে জব্দ করা মালামালের সিজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। অবৈধভাবে আমদানি ও পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা এসব পণ্য আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ রোববার ২৩ আগষ্ট প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। 

একই সঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।

হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে কচুয়ায় সংঘর্ষ: বৃদ্ধ নিহত, আহত ৩

কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের কচুয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বেদার মল্লিক (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে, স্ত্রী ও পুত্রবধূ আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে।

​রবিবার (২২ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড় ৯টার দিকে উপজেলার ৬ নম্বর রাড়িপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ভান্ডারখোলা গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

​স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী কাউসারের স্ত্রী রেহানার গৃহপালিত হাঁসকে কেন্দ্র করে বেদার মল্লিকের পরিবারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে একই এলাকার হায়দার মল্লিকের স্বজনরা লাঠি ও দরজার কাঠের খণ্ড নিয়ে বেদার মল্লিক ও তার পরিবারের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে বেদার মল্লিক, তার স্ত্রী হালিমা বেগম (৫৮), ছেলে কাইয়ুম মল্লিক (২৬) ও পুত্রবধূ সুমি (২১) গুরুতর আহত হন।

​আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেদার মল্লিককে মৃত ঘোষণা করেন। কাইয়ুম মল্লিক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বাকি দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার পরপরই কচুয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত অভিযোগে রমজান (২৩), লামিয়া (১৯) ও ফাতেমা (৪৫) নামের তিনজনকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

​কচুয়া থানার পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।





আশাশুনিতে জামায়াতের লিডারশিপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা)

আশাশুনিতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে লিডারশিপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯ টায় উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। 

আশাশুনি উপজেলা শাখার আয়োজনে

উপজেলা আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওঃ আনওয়ারুল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য এড. আব্দুস সোবহান মুকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওঃ আবু বকর ছিদ্দিক। সভায় অন্যদের মধ্যে উপজেলা নায়েবে আমীর আলহাজ্ব মাওঃ নুরুল আবছার মুরতাজা, সহ-সেক্রেটারি ডা. রোকনুজ্জামান, অফিস সেক্রেটারি মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, বায়তুলমাল সেক্রেটারি মাওঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও সদর ইউনিয়ন আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ প্রমুখ আলোচনা রাখেন। কর্মশালায় উপজেলার ১১ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, সৎ, যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে লিডারশিপের গুণাবলি অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কল্যাণ, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে।

কালীগঞ্জে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে বড় ভাই নিহত ১, ছোট আহত

মানিক ঘোষ, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরু চুরির সন্দেহে দুই যুবককে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনায় হাবিব নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর ছোট ভাই সুমন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বারবাজার ইউনিয়নের বাদুরগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাদুরগাছা গ্রামের মৃত ওবায়দুল হকের বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে দুই যুবক প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করেন বাড়ির বাসিন্দা নিলুফা ইয়াসমিন। তাঁর দাবি, ওই দুই যুবক বাড়ির গেট ও দরজা-জানালা বন্ধ করে গোয়ালঘর থেকে একটি গরু নিয়ে পালিয়ে যান।বিষয়টি টের পেয়ে নিলুফা ইয়াসমিন চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে গ্রামবাসী দুই যুবককে খুঁজতে শুরু করেন। রাত ৩টার দিকে উপজেলার ঠিকডাঙ্গা-পিরোজপুর মাঠে একটি গরুসহ হাবিব ও তাঁর ছোট ভাই সুমনকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করে। এতে হাবিব গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। সুমনও গুরুতর আহত হন।নিহত হাবিব ও আহত সুমনের বাড়ি যশোর শহরের আরাপপুর এলাকায় বলে জানা গেছে।কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত সুমনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কালিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর বটিয়াঘাটায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় কাজীবাছা নদীর তীর থেকে ৮ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। মরদেহটি নিখোঁজ শিশু রিয়াদুল ইসলামের কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্তকরণের অপেক্ষায় রয়েছে।

জানা যায়, গত ২০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে কালিয়ার হামিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর এলাকায় নবগঙ্গা নদীর তীরবর্তী মাঠের পাশ থেকে রিয়াদুল ইসলাম (৮) নিখোঁজ হয়। সে বিষ্ণুপুর গ্রামের শিমুল মোল্লা ও ফাতেমা বেগমের ছেলে। এ ঘটনায় শিশুটির নানা আব্দুল আজিজ বাদী হয়ে ২১ আগস্ট কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর ৯১৯।

এদিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় কাজীবাছা নদীর তীরে স্থানীয়রা এক শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী জানান, “আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি এবং পরিবারকে অবহিত করেছি। স্বজনরা মরদেহ আনার জন্য গিয়েছেন।”

তেরখাদার হাড়িখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা ও মতবিনিময়

তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি
News

খুলনার তেরখাদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাড়িখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি লাবু ইসলাম কে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে  আজ ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টার দিকেসংবর্ধনা  প্রদান ও  বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  শিক্ষার মানোন্নয়নে এক মতবিনিময় সভা  বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষক শেখ  শিমুল হাসানের সঞ্চালনায়  আয়োজিত অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের  এডহক কমিটির সভাপতি লাবু ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পিটিএ কমিটির সভাপতি ও সমাজসেবক  শেখ মনিরুজ্জামান, তেরখাদা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মান ও  বিএনপি নেতা মোঃ মোবাস্বার আলম। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, বিদ্যালয়ের  সহকারী প্রধান শিক্ষক এস এম সেলিম আহমেদ, অবঃ শিক্ষক পরিমল কান্তি মন্ডল ও  মোঃ  হেকমত আলী,  শিক্ষক মোঃ শাহারুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ  তৌহিদুল ইসলাম, ডাঃ রুমান হোসেন, ছাত্র এহসান আহমেদ, ছাত্রী তাসনিম হাসান তুবা,ঝুমারা খাতুন ও শ্রাবন্তী রায় পায়েল। অনুষ্ঠানে এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,  বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে  প্রধান অতিথি ও বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি লাবু ইসলাম কে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

দেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে বেকারত্ব দূর, মহিলাসহ কৃষকরা হচ্ছেন স্বাবলম্বী

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

 সাতক্ষীরার দেবহাটায় অফসিজন তরমুজ চাষ করে অনেক বেকার যুবক, মহিলা, শিক্ষার্থী ও কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। দেবহাটা উপজেলায় এই অফসিজন তরমুজের চাষ করে একদিকে যেমন বেকার ও কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন অন্যদিকে নতুন এই কৃষিপণ্য চাষে মহিলারাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ঘেরের জমির পাড়ে মাচান তৈরি করে এই তরমুজের চাষ করা হচ্ছে। যার কারণে বাড়তি কোনো জমিরও প্রয়োজন পড়ছে না। দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত ৪/৫ বছর ধরে এই অপসিজন তরমুজ ও সবজির চাষ হচ্ছে। গত ২ মাস পূর্বে কৃষক ও বেকার যুবকদের বিনামূল্যে অফসিজন তরমুজের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া তরমুজের মাচান তৈরি ও প্রশিক্ষন প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্বাবধানে এবছর মোট ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অপসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। গত বছর যেটা ছিল ৩০ হেক্টর। মোট চারটি জাতের বীজ সেগুলো হলো তৃপ্তি, ব্লাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলালিংক নামের বীজ প্রদান করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে ১০০ গ্রাম থেকে ১২০ গ্রাম বীজ রোপণ করা যায়। এই অফসিজন তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশুনার পাশাপাশি তাদের ঘেরের নিজস্ব জমিতে এই তরমুজের চাষে ঝুঁকছে। এ বছর আশানুরূপ ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বেশি করে এই তরমুজ চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল টিকেট গ্রামের কৃষক কৃঞ্চ চন্দ্র জানান, সে বেকার থাকায় ঘেরের পাশাপাশি দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ তাকে এই অফসিজন তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করে। মোস্তাক আহম্মেদের পরামর্শে সে তার নিজস্ব জমিতে অফসিজন তরমুজের চাষ করেছে। এখানে পানি লোনা হওয়ার কারনে কোন সবজি হতোনা। কিন্তু তরমুজ চাষ করে ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকা মুনাফা করেছে এবং আরো ৫০হাজার টাকার মতো বিক্রি হবে বলে কৃঞ্চ জানান। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিনি সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন। এই অফসিজন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ও বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করেছেন। দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শওকত ওসমান দেবহাটা উপজেলায় এই তরমুজের আশানুরূপ ফলন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এই চাষে মহিলারা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। আগামীতে আরো বড় আকারে এই তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, চলতি বছরে ৩৭ হেক্টর জমিতে এই অপসিজন তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। যার থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা অর্জন করতে পারছেন। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, এই মৌসুমে প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে বিনামূল্যে অপসিজন তরমুজের বীজ, সার ও সকল প্রকারের সহযোগীতা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে।

আশাশুনির কাদাকাটিতে নিত্যপণ্য ন্যায্যমূল্যে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা)

গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিত্যপণ্য ন্যায্য মূল্যে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯.৩০ টায় কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্র তেঁতুলিয়া হাই স্কুলের পাশে এ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। 

প্রাণের আলো ফাউন্ডেশন ও ডেইলী সেবা বাংলাদেশ এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু, ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মেম্বার আব্দুল হান্নান, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আছাফুর রহমান ডাবলু, শহিদ সরদার, একরামুল, মুনছুর, জব্বার, মান্নান, করিম, কবির, আফসার, গোলাম রসুল, লিপটন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ১০০০ ব্যক্তিকে সোয়াবিন তেল ২ লিঃ, ডাল ১ কেজি, আটা ১ কেজি, লবণ ১ কেজি, সরিষার তেল ২০০ এমএল, ডিটার্জেন্ট পাওডার অর্ধ কিঃ, গায়ে মাখা সাবান ১০০ গ্রাম, ডিশ ওয়াশ ৫০০ গ্রাম করে একটি করে প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। প্রতি প্যাকেজের মূল্য ৭৫০ টাকা। বিতরণকারী সংস্থা ২২ ধরনের প্যাকেজে মালামাল বিতরণ করে থাকে। বর্তমান সময়ে ১০ নং প্যাকেজের মালামাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে মাসে ৩ দিন করে ৩ স্থানে মালামাল বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল উপজেলার সব কয়টি ইউনিয়নে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিতরণ করা হবে।

কালিয়ায় গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার, ৪ মাসের কারাদণ্ড

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়ায় ১২ গ্রাম গাঁজাসহ মো. মোস্তফা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কালিয়া পৌরসভার সামনের বাইপাস সড়ক থেকে গাঁজাসহ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে কালিয়া থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার মো. মোস্তফা উপজেলার মিয়াজোকার চর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

পুলিশের অভিযানের পর কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিন্নাতুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) এর ২১ ধারায় তাকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

পরে উপস্থিত সবার সামনে জব্দ করা গাঁজা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল প্রাণ কোম্পানির ডেলিভারি কর্মীর

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুরের রাজাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সূজয় সাহা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সুজয় সাহা বিনোদপুর কাঁচাবাজারের পাশের বাসিন্দা পবিত্র কুমার সাহার ছেলে। তিনি প্রাণ কোম্পানির ডেলিভারি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ( ২২ আগষ্ট) দুপুরে রাজাপুর এলাকায় নিজেই গাড়ি চালানোর সময় একটি নছিমনের সঙ্গে দুর্ঘটনার শিকার হন সুজয় সাহা। দুর্ঘটনায় গাড়ির ডাম্পার ভেঙে পড়ার পর তিনি বুকে হঠাৎ ব্যথা অনুভব করেন বলে জানা গেছে।পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে মহম্মদপুর থানার ওসি তদন্ত এমডি মোতালেব হুসাইন জানান, সে নিজেই পরে দিয়ে দুঃঘটনার স্বীকার হয়েছেন।তার বাবা ও মা'যের নিকট তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।




জয়নগর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গড়তে চাই - চৌধুরী বাহারুল

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার ৭নং জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে চৌধুরী বাহারুলের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থিতা নিয়েও আলোচনা দেখা দিয়েছে।

চৌধুরী বাহারুল একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। স্থানীয়ভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা যায়। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আলোচনায় আসায় ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী—তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনপ্রতিনিধির সরাসরি যোগাযোগ ও জবাবদিহিতাকেও তারা গুরুত্ব দেন।

জয়নগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনও সড়ক যোগাযোগ, পানি নিষ্কাশন, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে যে-ই জনপ্রতিনিধির দায়িত্বে আসুন না কেন, তিনি যেন এসব সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের উদ্যোগ নেন।

চৌধুরী বাহারুলের সমর্থকদের দাবি, তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। তাঁদের মতে, ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও কার্যকর করতে তিনি ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে এসব দাবি ও প্রত্যাশার পাশাপাশি তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী অঙ্গীকার, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগণের কাছে তাঁর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা কী—তা স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা সাধারণত নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলে আরও জোরালো হয়। জয়নগর ইউনিয়নেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক অবস্থান এবং জনসম্পৃক্ততা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

চৌধুরী বাহারুল চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার বা উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইউনিয়নের কোন কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সে বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

সবশেষে, জয়নগর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—দল-মত নির্বিশেষে যে নেতৃত্বই দায়িত্ব গ্রহণ করুক, তার কাছে যেন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনসেবা এবং ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়ন সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। স্থানীয় জনগণের মতামত ও প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই জয়নগর ইউনিয়নের সামগ্রিক অগ্রগতি সম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।