দাকোপে অফসিজনে তরমুজ চাষে সাবলম্বী চাষী স্বপন বিশ্বাসও রাহুল বিশ্বাস
অরুণকুমার বিশ্বাস,পাইকগাছা,(খুলনা) : দক্ষিণ খুলনার দাকোপ উপজেলায় অপসিজন তরমুজ চাষ খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।ষ্বাবলম্বী হচ্ছে কৃষক মহল। দাকোপ উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে উপজেলার মৌখালী গ্রামের কতিপয় কৃষক পরীক্ষা মুলক ভাবে তরমুজ চাষ করেন। অফসিজন তরমুজ চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। পুষ্টি সমৃদ্ধ তরমুজ ফল উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হচ্ছে কৃষক কুল। দাকোপের কিছু সংখ্যক কৃষক বর্ষা মৌসুমে অফসিজন তরমুজ উৎপাদন করে গত একমাস ধরে বাজার জাত করছে।
বর্তমানে চাষ কৃত তরমুজ শুকনা মৌসুমে চাষ করার তরমুজের চেয়ে খেতে অতান্ত সুস্বাদু,মিষ্টি ও অনেকবেশি। দাকোপের চাষীরা তরমুজ চাষকরে এলাকাবাসীকে চমক লাগিয়ে দিয়েছে। জমিতে ও মাচায় রোপনকৃত এ পুষ্টি জাতীয় ফল শুধূ খেতেই সুস্বাধু নয় দেখতে ও সুন্দর।মাচায় লাগানো গাছ গুলোতে ঝুলে আছে তরমুজ। তরমুজ খেতে গেলে দেখা যায় এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। মাচার নিচে ঝুলে থাকা ফলে ফলে যেনো চোখ জুড়িয়ে যায়।দাকোপ উপজেলার মৌখালী গ্রারামের চাষী স্বপন কুমার বিশ্বাস ও রাহুল বিশ্বাস ,আমাদের প্রতিনিধি অরুণ কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে আলাপ কালে জানান, মনে দৃড় বিশ্বাস নিয়ে অফসিজন তরমুজ চাষ করেন। আরও বলেন, ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ করে তরমুজ চাষ করে ছিলাম।।গাছে ফলন শুরু হলে তাদের চোখে মুখে ফুটে ওঠে আনদ্নের হাঁসি। তারা আরও বলেন, অফসিজন তরমুজ তাদের বাড়তি আয়।জমিতে ধান কাটার পর অফসিজন তরমুজ চাষ তরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ তরছেন। স্বপন বিশ্বাস বলেন, ডাক্তারী পেষার পাশাপাশি তিনি তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন।এবারে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা ঘরে তুলেছেন। রাহুল বিশ্বাস বলেন, চাষকৃত তরমুজ গুলো তিনি নিজে খুলনা, ডুমুরিয়া, চুকসগর, তালা, কপিলমুনি ও পাইকগাছায় বিক্রি করে বাড়তি আয়ের ফলে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
