ঢাকা রোববার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৬ ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরী
Ad

‘জুলাই সনদ ও গণভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই’

প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, সময়ঃ ০৪.৫৭ এ.এম
‘জুলাই সনদ ও গণভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই’
www.dailyranggaprovat.com
রাঙা প্রভাত ডেস্ক।।  নবনির্বাচিত সংসদে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট নিয়ে কথা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
 
তিনি বলেন, সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। সংসদে কথা হচ্ছে জুলাই সনদ ও গণভোট ইত্যাদি ইস্যু নিয়ে। আমরা আগেই বলেছি, জুলাই সনদ ও গণভোটের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
 
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।
 
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের জন্য গণভোট হয়। এই পার্লামেন্টের মাধ্যমে যা সংস্কার করতে চান, তা করা যাবে। 
 
বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেলের দাম নিয়ে কথা বলা উচিত।
 
লাঙ্গল প্রতীকের প্রসঙ্গ তুলে জাপার এই নেতা বলেন, কিছুদিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে লড়ব। আশা করি, এই প্রতীক আমরা পাব। দুই অথবা তিন সপ্তাহের মধ্যে এই প্রতীক আমরা পাব।
রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে চাই, তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চিরতরে অবসানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ সত্যিকার অর্থেই একটি প্রতিহিংসা ও জিঘাংসামুক্ত নতুন বাংলাদেশ পাবে।
 
তিনি বলেন, আমরা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবো। তবে এমন কোনো সমালোচনা করা রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে না, যে সমালোচনার কারণে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হলে দেশে কী পরিস্থিতি হয়, সেটি অন্তর্বর্তী সরকার দেখিয়ে দিয়ে গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
 
ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, জনতা পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও এনডিএফের সমন্বয়কারী গোলাম সরোয়ার মিলন, মুসলিম লীগ সভাপতি মহসিন রশিদ, জাতীয় ইসলামিক জোট চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম মিলন, জাহাঙ্গীর আহমেদ, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। 
 

» বিস্তারিত কমেন্টে «
facebook.com/dailyranggaprovat
dailyranggaprovat.com