ক্ষুদে শিশুদের হাতেই ‘দ্বীপকুঞ্জ’-এর উদ্বোধন
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবে পর্যটক, দর্শনার্থী ও গলফারদের জন্য নির্মিত নতুন অবকাশকেন্দ্র ‘দ্বীপকুঞ্জ’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে মাত্র ৬ ও ৭ বছর বয়সী দুই শিশু আয়াত ইমরান শিযা ও আয়রা ইমরান সিহা-এর হাত দিয়ে উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইরফান আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অরুনিমা রিসোর্ট গলফ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্রিয়াব)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই)-এর সাবেক আন্তর্জাতিক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য খবির উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্ষুদে গলফার, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তাঁদের অভিভাবক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে খবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, শৈশব থেকেই নেতৃত্বের বীজ রোপণ করতে হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশুদের সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। তিনি জানান, দেশ-বিদেশে যুব নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকেই ক্ষুদে গলফার ও স্থানীয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ব্যতিক্রমী উদ্বোধনের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অরুনিমা রিসোর্টে আগত পর্যটক ও গলফারদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের আবাসন, প্রকৃতিনির্ভর পরিবেশ এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে নতুন অবকাঠামো যুক্ত করা হচ্ছে। ‘দ্বীপকুঞ্জ’ সেই পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
সভাপতির বক্তব্যে সিইও ইরফান আহমেদ বলেন, অতিথিদের জন্য শুধু আবাসন নয়, বরং প্রকৃতির মাঝে একটি স্মরণীয় ও আনন্দময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই তাঁদের লক্ষ্য। পরিবার, বন্ধু ও করপোরেট অতিথিদের জন্য অরুনিমা রিসোর্টকে একটি পূর্ণাঙ্গ অবকাশকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত নতুন নতুন পর্যটন ও বিনোদন সুবিধা সংযোজন করা হচ্ছে।
উদ্বোধন শেষে অতিথিরা ‘দ্বীপকুঞ্জ’ পরিদর্শন করেন এবং এর নান্দনিক স্থাপত্য, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
আয়োজকদের মতে, দুই ক্ষুদে শিশুর হাতে উদ্বোধনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সমাজকে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে যে, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব, তাই তাদের বিকাশে ছোটবেলা থেকেই উৎসাহ ও সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
