ঢাকা বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৬ ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৮ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডার: আসামি গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার

প্রকাশিত: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, সময়ঃ ০২.১৫ পি.এম
ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডার:  আসামি গ্রেফতার, হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার
www.dailyranggaprovat.com

শাহজাহান হেলাল, ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রধান আসামিকে ঘটনার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। 

হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদালও উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় ২৮এপ্রিল ২০২৬খ্রি.মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য জানান ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম।তিনি বলেন  ফরিদপুর সদর উপজেলার আলীয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামে ২৭ এপ্রিল ২০২৬খ্রি. সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রিকশাচালক কাবুল হোসেন (৪৯) জানান বাড়ি থেকে বের হয়ে খুশির বাজারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে রিয়াজুল মোল্লার সঙ্গে দেখা হলে তারা একসঙ্গে হারুন মোল্লার বাড়ির সামনে পৌঁছান। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে চিৎকার শুনে স্থানীয়দের নিয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন,ঘরে ঢুকে তারা দেখতে পান, আকাশ মোল্লা (২৮) তার দাদি আমিনা বেগম (৮০) ও ফুপু রাহেলা বেগম (৫৫)-কে কোদাল দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করছেন। কাবুল হোসেন বাধা দিলে তাকেও কোদাল দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাবুল হোসেন, আমিনা বেগম ও রাহেলা বেগম মারা যান।এ ঘটনায় রিয়াজুল মোল্লা (৩৬) ও আর্জিনা বেগম (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পরপরই আসামি পালিয়ে যান।কোতয়ালী থানা পুলিশ, ডিবি ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে তার বসতবাড়ির অদূরে লিয়াকতের কলাবাগান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত কোদাল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। স্থানীয়দের ধারণা, সে কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।এ ঘটনায় নিহত কাবুল হোসেনের স্ত্রী কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর ৭৯, তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৬; ধারা ৩০২/৩২৬/৩০৭/৩৪ পেনাল কোড।

ফরিদপুর জেলা পুলিশ জানান, দ্রুত পদক্ষেপের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই প্রধান আসামিকে গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আজমসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।




» বিস্তারিত কমেন্টে «
facebook.com/dailyranggaprovat
dailyranggaprovat.com