বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, সময়ঃ ০৩.২২ এ.এম
রাঙা প্রভাত ডেস্ক :
মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা আবারও নাড়া দিয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে। ইরান ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা নতুন করে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি তৈরি করেছে, যার প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারেও দৃশ্যমান।
সাম্প্রতিক লেনদেনে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুনের জন্য নির্ধারিত প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২.৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ ডলার ছাড়িয়ে। একইভাবে জুলাইয়ের সরবরাহের জন্যও মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বছরের শুরুতে তুলনামূলকভাবে নিম্নমুখী থাকা তেলের বাজার আবারও চাপে পড়েছে ভূরাজনৈতিক কারণে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যেখানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় ৭০ ডলারে নেমে এসেছিল, এখন তা ধীরে ধীরে যুদ্ধ শুরুর সময়কার উচ্চতার কাছাকাছি পোঁছাচ্ছে।
সাম্প্রতিক লেনদেনে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুনের জন্য নির্ধারিত প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২.৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ ডলার ছাড়িয়ে। একইভাবে জুলাইয়ের সরবরাহের জন্যও মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ১০৪ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বছরের শুরুতে তুলনামূলকভাবে নিম্নমুখী থাকা তেলের বাজার আবারও চাপে পড়েছে ভূরাজনৈতিক কারণে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যেখানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় ৭০ ডলারে নেমে এসেছিল, এখন তা ধীরে ধীরে যুদ্ধ শুরুর সময়কার উচ্চতার কাছাকাছি পোঁছাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি প্রস্তাব- যেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কথা বলা হয়েছিল—তা যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করবে এমন সম্ভাবনা কম। একই সঙ্গে তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এ পরিস্থিতির প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; ওয়াল স্ট্রিটে সাম্প্রতিক সময়ের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমে গেছে।
অন্যদিকে, দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারেও জ্বালানির দাম বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গড় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৪ ডলার ১৮ সেন্টে পৌঁছেছে, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এ পরিস্থিতির প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; ওয়াল স্ট্রিটে সাম্প্রতিক সময়ের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থেমে গেছে।
অন্যদিকে, দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারেও জ্বালানির দাম বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গড় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৪ ডলার ১৮ সেন্টে পৌঁছেছে, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
