রামপালে জুলাই যোদ্ধা যুবদল নেতা মহিদুলকে হত্যাচেষ্টার একবছর; দ্রুত বিচার দাবী
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : রামপালে সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমানে যুবদল নেতা ও সম্মুখ সারির জুলাই যোদ্ধা মহিদুল ইসলাম (৩২) পাষণ্ডদের নৃশংস নির্যাতনের শিকার হয়ে এখনও শয্যাশায়ী। ২০২৫ সালের এই দিনে আওয়ামীলীগের ক্যাডারদের হামলায় গুরুতর আহত হন এই জুলাই যোদ্ধা। দুর্বৃতরা তার দুই পা গুড়িয়ে চিরতরে পঙ্গু করে দেয়। তার চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় হলেও তিনি এখনও শয্যাশায়ী। পরিবারের এক মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি সে। সকল আয়ের পথ হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন জাতীয়তাবাদের আদর্শের এই জুলাই যোদ্ধা। তাকে পেড়িখালী ৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম মাঝি, মোকসেদ শেখ, তার দুই ছেলে রবিউল ইসলাম শেখ ও শফিকুল শেখ, জসিম মাঝি, ফজলু শেখ, সোলাইমান ফকির, হাসমত শেখ ও ওয়াহাব আলী মোল্লাসহ কতিপয় দুর্বৃত্ত রাতের আধারে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে দুই পা গুড়িয়ে দেয়। আসামিদের নামে মামলা হলেও তারা জামিনে বের হয়ে দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মহিদুল অভিযোগ করেন, আসামীরা মামলা তুলে নিতে নানানভাবে চাপ ও ভয়ভীতি প্রদান করে আসছে। তিনি আরো জানান, তাকে হত্যাচেষ্টাকারীরা হত্যার উদ্যেশ্যেই হামলা করেছিল। কারণ রামপালে তিনি বর্তমান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের পক্ষে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রচার প্রচারণায় সাথে ছিলেন, কাজ করেছেন। ঢাকা থেকে রামপালের সকল কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই নেতা। নির্মমভাবে দুর্বৃত্তদের আঘাতে আহত হওয়ার পরে এই জুলাই যোদ্ধার চিকিৎসা সহায়তা ও তার বাড়িতে খোঁজখবর নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এখন তিনি আবারো রাজনীতিতে স্বক্রিয় থাকতে চান। রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনি চিকিৎসা সহায়তা এবং তার হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত বিচার দাবী করেন।

