ঢাকা বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ২০ ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৪ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

আশাশুনিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ

প্রকাশিত: ১০ মে ২০২৬, রোববার, সময়ঃ ০৯.০৫ পি.এম
আশাশুনিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ
www.dailyranggaprovat.com

জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) : আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে অবৈধ চুল্লিতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা। কারখানা থেকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে ফলন্ত গাছ-গাছালি, জমির ফসল ও পরিবেশ। পরিবেশ অধিদফতরের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে এ অবৈধ ব্যবসা।

আশাশুনি উপজেলার তেঁতুলিয়া টু সোনাই রাস্তার মধ্যস্থলে তকিপুর নামক স্থানে ৪টি কয়লা তৈরির বিশেষ চুলা (চুল্লি) নির্মান করা হয়েছে। মাটি, ইট ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করা চুল্লিতে প্রতিদিন শত শত মন কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। অথচ এসব কয়লা কারখানা পরিচালনায় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমরা খুব সমস্যায় আছি। দীর্ঘদিন ধরে শাহনগর গ্রামের বিপুল শাহ এর জমি বছরে ৬০ হাজার টাকা করে হারি নিয়ে চুল্লি কারবার করছেন বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত গহর গাজীর ছেলে আলী গাজী। তিনি কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন।

আশপাশের এলাকার শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আরো বলেন, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়, কিছু অসাধু ব্যক্তিদের মদদে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চলছে। বিভিন্ন মহলকে মোটা অঙ্কের টাকা দেয়া হয় যাতে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ না খোলে। তাছাড়া চুল্লির মালিক এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি তার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। এলাকাবাসী ও সাংবাদিকরা চুল্লি বন্ধের জন্য প্রশাসের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিলেও তার কোন অভিযান চালানো হয়নি। জনবসতি এলাকায় এসব কারখানা স্থাপন বন্ধের জন্য উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, আমি জানতাম না, আপনি বলেছেন তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।