শালিসের সিদ্ধান্তে অপপ্রচারের অভিযোগ
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) : আশাশুনি উপজেলার কামালকাটি গ্রামে শালিসের সিদ্ধান্তে জমি মাপজোক করে সীমানা নির্ধারণ করে বুঝিয়ে দেওয়ার পরও অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কামালকাটি গ্রামের মৃত তপন বিশ্বাসের ছেলে ধর্মেন্দ্র বিশ্বাস ও নারায়ন বিশ্বাস এবং মৃত নিতাই বিশ্বাসের ছেলে সুদেব বিশ্বাস জানান, কামালকাটি মৌজায় পোল্ডার-৪ এ ২০০৯ দাগে পাউবোর্ডের ২৪ শতক জমি আছে, যার ৪ শতকের উপরে বাঁধ/রাস্তা। এই ২০ শতক জমি রেকর্ডীয় ১০ শতক জমির মাথায়। রেকর্ডীয় ১০ শতকের অর্ধেকাংশ তপন বিশ্বাস গংদের। বাকী অর্ধেকাংশ ধর্মদাশ গংদের। তবে ধর্মদাশ গং তাদের অংশ এ্যাওয়াজ করে তপন গংদের দেওয়ায় পুরো ১০ শতকের মালিক তপন গং। জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে তপন বিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেন। পরিষদে শালিস চলাকালে তপন বিশ্বাস স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে শালিস শেষ নামেনি। গত ২৫ মে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে শালিস হয়, শালিসের সিদ্ধান্তে ৩ জন সার্ভেয়ার নিয়ে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে মাপজোক শেষে মৃত তপনের ওয়ারেশদেরকে মাত্র ৬ শতক খাস জমি দেয়া হয় এবং অরুন বিশ্বাসকে ১৪ শতক দেয়া হয়। জমির সীমানা নির্ধারণ করে পিলার গেড়ে দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়। শান্তিপূর্ণ ভাবে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর থেকে উভয় পক্ষ কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই জমিতে ভোগদখলিকার রয়েছে। কিন্তু বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ তুলে অপপ্রচারের ঘটনায় তারা হতবাক হয়েছেন। এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা প্রশাসনসহ উর্ধতন কতৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
বাঁকড়ার আঃ রহিমের ছেলে এমদাদুল হক জানান, শালিস ও মাপজোক গন্যমান্য ব্যক্তি ও ৩ জন আমিনের দ্বারা শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরবর্তীতেও কোন দ্বন্দ্ব গোলযোগ হয়নি।
প্রতিপক্ষের অরুন বিশ্বাস জানান, ওয়াপদার খাস জমিতে তারা ঘর বেধে বসবাস করে আসছেন। ২৫ মে মাপজোক করা হয়, কিন্তু খাস জমি খাস হওয়ার পূর্বে রেকর্ডীয় মালিকরা সেখানে না থাকায় আমরা যায়নি। মাপজোক করে তারা জমিতে পিলার/খুঁটি পুতে দিয়ে যায়। কোন গোলযোগ হয়নি বলে তিনি জানান।
