ঢাকায় পাবনার গৃহবধূ ৭ দিন ধরে নিখোঁজ , দুই থানায় অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি : পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার সুমাইয়া আক্তার আলো নামক এক গৃহবধুকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পর ৭ দিন ধরে নিখোঁজ।
নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্বামীর ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানা ও নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় সুমাইয়া আক্তার আলোর পিতা আটঘরিয়া থানাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহ ছেলে আলামিন বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার আলো (১৮) এর সাথে সোহাগ আলী (২৮), পিতা সবুর আলী, সাং-শালাইপুর, ইউপি-গয়েশপুর, থানা-পাবনা সদর, জেলা-পাবনা—এর প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ০২ জুন ২০২৬ তারিখে স্বামী সোহাগ আলী তার স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরবর্তীতে ০৫ জুন ২০২৬ তারিখে তিনি বাড়িতে ফিরে এসে জানান, ০৩ জুন ২০২৬ তারিখে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানা হাজীগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, গৃহবধু কোনো অজ্ঞাত স্থানে হারিয়ে যেতে পারেন অথবা কোনো চক্রের মাধ্যমে বিপদে পড়তে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পরিবার।
অভিযোগকারী আলামিন জানান, বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। এতে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, আমার জামাই সোহাগ আলী ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে চাকরি করতেন। এসুবাধে জামাই মেয়েকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার হাজীগঞ্জ এলাকায় একটি বাসা বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেখান থেকে আমার মেয়েকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে সুমি খাতুন (৩৬), স্বামী কামাল, সাং-রাধাকান্তপুর, দেবত্তোর, থানা-আটঘরিয়া, জেলা-পাবনা—সহ আরও অনেকে বিষয়টি অবগত আছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
