কচুয়ায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি।। বাগেরহাটের কচুয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এবং ১০ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা অডিটোরিয়াম চত্বরে দিনব্যাপী এই বিজ্ঞান মেলা ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ। মেলায় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখতে এ ধরনের মেলা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে একাডেমিক সুপারভাইজার মেহেদী মান্নার সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আসিফ হায়দার,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কচুয়া উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক এসএম তৌহিদুল ইসলাম, কচুয়া প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার দাস, এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এবারের বিজ্ঞান মেলা ও অলিম্পিয়াডে উপজেলার মোট ১২টি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবনী প্রজেক্ট ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল কচুয়া সরকারি সিএস পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কচুয়া পাইলট মাধ্যমিক বালিকা উচ্চবিদ্যালয়,আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,গজালিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মোবাইদুল ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়,শহীদ আঃ জলিল মাধ্যমিক বিদ্যালয়,গোয়ালমাঠ রশিকলাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়,গোয়ালমাঠ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,কচুয়া আলিম মাদ্রাসা, মসনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,কচুয়া সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজ,কচুয়া ডিগ্রী কলেজ।
মেলায় খুদে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রকল্প প্রদর্শন করে। পাশাপাশি ১০ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখে। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অডিটোরিয়াম চত্বর এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
