কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি, পেয়াজের ঝাঁঝ বেড়েছে ,বেগুনে আগুন লেগেছে
অরুণ কুমার বিশ্বাস, পাইকগছাা,(খুলনা) : উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক কপিলমুনিসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন হাট-বাজারে কাঁচা ঝালের অগ্নি মূল্য,পেয়াজের ঝাঁঝ বেড়েছে,বেগুনে যেন আগুন লেগেছে।
গত কয়েক দিনের ব্যবধানে এ সব হাট-বাজারে কাঁচা মরিচ,পেয়াজ ও বেগুনের দাম ২ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। এক সপ্তাহ পূর্বে ও প্রতি কেজি কাঁচা ঝাল ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা বর্তমানে ২০০টাকা থেেক ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ মধ্যভোগী ও নিম্ন বিত্তের ক্রেতাকে কেজি,আধাকেজি ও ২৫০গ্রামের কথা ভ’লে গিয়ে কিনতে হচ্ছে ২৫ টাকা দামে ১০০ গ্রাম ঝাঁল।
এ ছাড়া একই গতিতে অন্যান্য কাঁচা তরিতরকারির দাম ও বেড়ে দ্বিগুন, তিনগুন ঢেড়েস প্রতিকেজি ৬০টাকা,আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা,উচে্ছপ্রতিজে ১০০ টাকা। এক সপ্তাহ পূর্বে ও প্রতি কেজি উন্নত মানের দেশী পেয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা বর্ত মানে ৭০থেকে ৮০ টাকায বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহ থেকে এক লাফে উঠেছে ৭০টাকায়। তবে নিম্ন মানেরপেঁয়াজ এখনও ৩০-৩৫ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ দিকে বেগুনে ও জেন আগুনলেগেছে। ২০-২৫ টাকার বেগুন বর্তমানে ১২০ টাকায় এক কেজি বিক্রি হচ্ছে। ফলে নিম্ন বিত্তের ক্রেতারা বাজারে যেতে কোন প্রকারে সাহস পাচ্ছেনা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সরেজমিনে কপিলমুনিসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ ও ।পেঁয়াজ কিনতে আসা ক্রেতারা কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দাম শুনে অনেকে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ না কিনে অন্যান্য বাজার করে বাড়ি ফিরেছেন।আবার অনেকে ভাবছেন পেয়াজ না হলে চলবে কিন্তু কাঁচা মরিচ কিছু না কিনলে আবার তরকারি রান্না করবে কি দিয়ে। তাই যত কষ্ট হকনাকেন ১৫টাকা দিযে ৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টিতে ঝালের খেত ডুবে জাওয়ায় হঠাৎ করে দাম বাড়ায় মোকামে যেয়ে আমরা মাল কিনতে পারছিনা। যা সামান্য কিনছি তাতে পরিবহন খরজ বৃদ্ধি পাওয়ায় সেটা অতান্ত চড়া দামে বিক্রী করতে হচ্ছে।
