ঢাকা রোববার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ৬ ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৮ ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরী
Ad

আমরণ অনশনকারীদের সঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সংহতি

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, সময়ঃ ০৩.২৮ এ.এম
আমরণ অনশনকারীদের সঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সংহতি
www.dailyranggaprovat.com

রাঙা প্রভাত ডেস্ক।। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে তিন দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। 

 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন তিনি।

 

এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গণভোটের রায় নিয়ে মতপার্থক্যের কোনো অবকাশ নাই। বাংলাদেশের মানুষ সংস্কার বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে, সেখানে যদি কোনো দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য সংস্কারকে পাশ কাটানো হয়, সেটা বাংলাদেশের মানুষ মানবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আমাদের যে সাংবিধানিক কাঠামো- এই কাঠামোটা হলো ফ্যাসিস্ট কাঠামো। এখন আপনি তারেক জিয়াকে বসান, শেখ হাসিনাকে বসান, যাকে ইচ্ছা তাকে বসান না কেন, সেই ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠবে। এজন্য আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে। এই সিস্টেম পরিবর্তনের জন্যই যারা শহিদ হয়েছে তারা রাজপথে নেমেছিল।

 

নাসীরুদ্দীন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শক্তিশালী না হলে লাভবান হবে যারা দুর্নীতি করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তো দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা এ ধরনের মন-মানসিকতা পোষণ করে, তাদের দ্বারা দেশের কি উন্নয়ন হবে তা আমরা জানি। এখন এই তিনজন ব্যক্তি অনশনে আছে, ৩১ ঘণ্টা হয়েছে। তাদের দাবি হলো গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা। যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হয়, তবে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবো। জুলাই সনদ যেটা শহিদের রক্তের ওপর দিয়ে এসেছে, সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

এরপর রাত পৌনে এগারোটার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজু ভাস্কর্যে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল টিম।

 

উল্লেখ, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জুলাই বিপ্লব ও গণভোটের রায় রক্ষাসহ ৩ দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম। তারপর তার সাথে সংহতি জানিয়ে আমরণ অনশনে বসেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সাকিবুর রহমান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন শাহীন।

» বিস্তারিত কমেন্টে «
facebook.com/dailyranggaprovat
dailyranggaprovat.com