তেরখাদার চিত্রা ব্রিজের দুইপাশে জন দুর্ভোগের অবসান ঘটালেন বুলু চৌধুরী
তেরখাদা প্রতিনিধি।। খুলনার তেরোখাদা উপজেলা সদরে চিত্রা নদীর ওপর নির্মীয়মান ব্রিজ ঘিরে জনদুর্ভোগ যেনো নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। বিশাল উঁচু এই চিত্রা ব্রিজের দুই প্রান্তে গত কিছুদিন আগে অস্থায়ীভাবে বালু ফেলে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে সেই বালু সরে গিয়ে আবারও চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ভোরের আলো ফোটার আগ মুহূর্ত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাতায়াতকারী অসংখ্য মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, চিত্রা মহিলা কলেজের লাইব্রেরি শিক্ষক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু। তিনি আজ নিজস্ব অর্থায়নে শ্রমিক নিয়োগ করে ব্রিজের দুই প্রান্তে মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করেছেন, যা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক করে তোলে।
চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু বলেন, "মানুষের কষ্ট আমি কাছ থেকে দেখেছি। যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার দায়িত্ব।" তিনি বলেন, এই ব্রিজ শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি মানুষের জীবনের সাথে জড়িত, তাই এই ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচল সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তার এই উদ্যোগে শিশু, বৃদ্ধ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন। জনৈক পথচারী বলেন, "আমরা প্রতিদিন খুব কষ্ট করে চলাচল করতাম। বুলু চৌধুরীর এই কাজ আমাদের জন্য অনেক বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।
বাজারে আগত জনসাধারণও তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "এ ধরনের উদ্যোগই প্রকৃত সমাজসেবার উদাহরণ। নিজের টাকায় মানুষের জন্য কাজ করা সত্যিই প্রশংসনীয়।
চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলুর এই মানবিক ও সেবামূলক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং জনসাধারণের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
"জনসেবার প্রকৃত উদাহরণ স্থাপন করলেন চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, যেখানে দায়িত্ববোধই হয়ে উঠেছে তার মূল প্রেরণা।"অবহেলা আর দুর্ভোগের এই চিত্রে তিনি যেন একটুকরো স্বস্তির বার্তা হয়ে হাজির হয়েছেন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে তার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।"
সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এমন মহৎ কাজের সূচনা-যা অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।"
নিজস্ব উদ্যোগে জনদুর্ভোগ লাঘবের এই প্রয়াস স্থানীয়দের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।” যেখানে অনেকেই নীরব দর্শক, সেখানে তিনি হয়ে উঠেছেন কার্যকর পদক্ষেপের প্রতীক। এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, সদিচ্ছা থাকলে সামান্য প্রচেষ্টাতেও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। "তার এই মানবিক কাজ শুধু চলাচলই সহজ করেনি, মানুষের মনে কৃতজ্ঞতার অনুভূতিও জাগিয়ে তুলেছে।
