মধুখালীতে বিদুৎ লোডশেডিং জনজীবনে বিপর্যস্ত
শাহজাহান হেলাল, ফরিদপুর : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলাতে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অফিস আদালত, বাসাবাড়িতে শিল্প কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ চরম ভোগান্তি ও সংকটে পড়েছে। প্রতি দিন প্রায় ১৪ ঘন্টা থেকে ১৬ ঘন্টা(স্ক্যাডার অপারেশন) সহ লোডশেডিং পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে মধুখালী ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশনের আবাসিক প্রকৌশলী মো.তানভীর হায়দার জানান, বিদ্যুৎ এর চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হলে কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করেন। সে ক্ষেত্রে সারাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ ওভার লোড হলে স্ক্যাটার অপারেশন কেটে দেওয়ায় উপজেলা পর্যায়ে ১০০ থেকে ১৫০ টি উপজেলার বিদ্যুৎ বন্ধ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি মধুখালী গত ৩০ জুলাই থেকে ১আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনের বিদ্যুৎ সরবরাহ পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, তিন দিনের স্ক্যাডার আপারেশনে ৭ঘন্টা ৩৯মিনিট এবং তিন দিনের লোডশেডিং এর পরিমান ৩২ ঘন্টা ১৭মিনিট বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি সেটা সঠিক ভাবে গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন ডিমান্ড চার্জ কি? এ বিষয়ে তার কোন ধারণা নাই। তবে কেন গ্রাহকদের থেকে ডিমান্ড চার্জ গ্রহন করা হয় তার কোন জবাব তিনি দিতে পারেন নাই।
উপজেলার নওপাড়া মুড়ির মিল মালিক ইশারত হোসেন জানান লোডশেডিং এর কারনে চিড়াসহ তিনটি ইউনিট বন্ধ করতে হয়েছে। একটি ইউনিট চালু রাখতে ৪ হাজার ৮শ টাকার ডিজেল পুরিয়ে জেনারেটর চালু রাখতে হয়েছে।
এদিকে ২ ও ৩ আগস্টে মধুখালী বিদ্যুৎ সরবরাহ লোডশেডিং এর পরিমান আরো বেড়েছে। রবিবার রাত থেকে সোমবার বেলা ১টা পর্যন্ত লোডশেডিং এর পরিমান বেপরোয়া ভাবে বেড়েই চলেছে।
