ঢাকা বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ২১ ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৮ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

কালীগঞ্জ থানায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আহ্বান জহির হাসান মোহনের

প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, সময়ঃ ০৮.৪৭ পি.এম

মানিক ঘোষ, ঝিনাইদহ :

"বৃক্ষরোপণে সাজায় দেশ, সবার আগেই বাংলাদেশ"—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আয়োজকেরা বলেন, দেশব্যাপী এ কর্মসূচি সফল হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের জয়েন্ট সেক্রেটারি জহির হাসান মোহন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম, বিএনপি নেতা জাহিদ মোল্লা, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলাম লস্কার, শাহিন লস্কার, সেকেন্দার আলী, মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স, মারুফ বিল্লাহ, তারিক হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ মো. জিহাদ, মঞ্জুর, খসরু, কিশোর কুমার, সাব্বির, ইন্দ্রনীল, কালীগঞ্জ কলেজিয়েট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বৃক্ষরোপণ শেষে জহির হাসান মোহন বলেন, "পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি গাছের পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। আজকের একটি চারা আগামী দিনের বিশুদ্ধ বাতাস, ছায়া ও নিরাপদ পরিবেশের ভিত্তি। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে।
বক্তারা বলেন, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পরে অতিথি, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা একযোগে থানা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সবাইকে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।