ঈদকে সামনে রেখে কপিলমুনিতে জাল টাকা সরবরাহ কারীরা তৎপর
অরুণ কুমার বিশ্বাস, পাইকগছাা,(খুলনা) : দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ বানিজ্যিক শহর ঐতিহাসিক কপিলমুনিতে ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটা দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।এ সুযোগে জাল টাকা সরবরাহ কারীরা তৎপর।
কপিলমুনি শহরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন হাট-বাজার সর্বত্র এখন জাল টাকার আতংক বিরাজ করছে। ১০০, ৫০০ও ১০০০ টাকার নোট নিতে সবাই অনীহা প্রকাশ করছে। রমজানমাস শুরু থেকে পবিত্র ঈদ পর্যন্ত এই সময় বাজারে ভীড় থাকায় জাল নোট সরবরাহ কারীরা সুযোগ বুঝে জালনোট চালিয়ে কেটে পড়ছে।ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একাধিক সূত্র থেকে জানাগেছে, এ অঞ্চলে হাট বাজারে জাল টাকার নোট পাওয়া যাচ্ছে। ফলে জন সাধারনের মধ্যে এখন ৫০০ ও ১০০ টাকার নোট সন্দেহের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসায়ীরা এখন ১০০,৫০০ ও১০০০ টাকার নোট মালামাল বিক্রয় বা খরিদ-এর পর পরিচিত বা অপরিচিত কোন লোক দিলে তা নিতে অস্বীকার করছে বা ভাল ভাবে না দেখে নিচ্ছেনা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এভাবে খালী চোখে দেখে নোট চেনা কোন ক্রমে সম্ভব নয়। তাছাড়া ঈদের সময় দোকানে খরিদারের ভীড় থাকায় টাকা ভাল করে দেখে নেওয়ার সম্ভব হচ্ছেনা।সম্প্রতি কপিলমুনি শহরের ব্যবসায়ীরা জাল টাকা পাওয়ার সাথে সাথে অন্য কেউ জানবার আগেই পুড়িয়ে বিপদমুক্ত হচ্ছে। ফলে তারা বিপদ মুক্ত হলেও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমন ধরনের ঘটনা কপিলমুনি শহরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন হাট বাজারে প্রারাই ঘটছে। কিন্তু নিজে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কারো কাছে মুখ খুলছে না । আশংকা করা হচ্ছে একটা সংঘ বদ্দ দল জাল নোট সরবরাহ করছে। তাদের একটা গ্রুপ কপিলমুনি শহরের আশে পাশে কোথায় অবস্থান করছে। ঈদকে সামনে রেখে তারা বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করচ্ছে।
এমতাবস্থায় যাতে কপিলমুনি শহর সহ উপজেলার সাধারন ব্যবসায়ী ও সহজ সরল মানুষ আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই জন্য ভ’ক্তভোগী ব্যবসায়ী মহল ও সাধারন জনগন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। যতসীগ্র সম্ভব এদের অপতৎপরতা বন্দের দরকার।
