কলারোয়ায় স্মরণ সভায় জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিব
শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : বিএনপির প্রকাশনা সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, ভাষাসৈনিক শেখ আমানুল্লাহ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত চিন্তার মানুষ। ভাষা আন্দোলনসহ শিক্ষা বিস্তারে শেখ আমানুল্লাহর অবদান দেশের মানুষ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ; আর কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল ছিল এ আন্দোলনের সূতিকাগার। সোমবার বেলা ১২ টায় কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল মিলনায়তনে আলহাজ্ব শেখ আমানুল্লাহর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রধান অতিথি আরও বলেন, একজন শিক্ষক নেতা হিসেবে শিক্ষকদের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে ও অধিকার আদায়ে শেখ আমানুল্লাহ ছিলেন অগ্রসৈনিক। প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মরহুম শেখ আমানুল্লাহর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের পরিচালনা পর্ষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রফেসর শেখ সাইয়েদুল ইসলাম বাবু। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোলাম রব্বানী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিন, বেত্রবতী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাকিবিল্লাহ শাহী, মরহুমের দুই মেয়ে আফরোজা বানু ও আফসানা বানু প্রমুখ। স্মরণসভা শেষে মরহুমের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা ও দোয়া করা হয়। এর আগে সকাল ৯টায় কলারোয়ার ঝাঁপাঘাট গ্রামে মরহুমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বরেণ্য ভাষা সৈনিক ও শিক্ষক নেতা আলহাজ্ব শেখ আমানুল্লাহ।
