ঢাকা রোববার ০৫ জুলাই ২০২৬ ২১ ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৬ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

মাগুরা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী একাডেমিক গবেষণা সম্পন্ন

প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২৬, রোববার, সময়ঃ ০৭.০৭ পি.এম
মাগুরা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী একাডেমিক গবেষণা সম্পন্ন
www.dailyranggaprovat.com

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় মাগুরা মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ৪৩ জন শিক্ষার্থীর দিনব্যাপী একাডেমিক গবেষণা ও পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক গবেষণার অংশ হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ এলাকার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করেন।


মাগুরা মেডিকেল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. আব্দুল্লাহেল কাফীর নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে এই মাঠ পর্যায়ের গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়।


 মেডিকেল শিক্ষার্থীরা মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ করেন। এবারের গবেষণার মূল বিষয় ছিল— বয়স্ক নারীদের মেনোপজ বা রজঃস্রাব বন্ধ হওয়ার পরবর্তী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন এবং এর ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন জটিলতা। শিক্ষার্থীরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও নারীদের পরামর্শ প্রদান করেন। 


মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মো: আবু আহসান এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা দেন- মাগুরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কামরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির,  প্রফেসর আব্দুল হাই, প্রফেসর শাহাজাদ সেলিম, সহকারী অধ্যাপক ডা. আরিফুজ্জামান, প্রভাষক ডা. রাজিয়া সুলতানা মাহমুদ, প্রফেসর ডা. যুথী সরকার। 


(বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন) প্রফেসর ডা. আব্দুল্লাহেল কাফী বলেন, 

ডাক্তারের ব্যবহারে সাধারণ মানুষ যদি অনুপ্রাণিত না হয়, তাহলে সে ডাক্তার হিসেবে সফল নয়। মানুষের ভেতরে যদি সংস্কৃতি না থাকে, তবে সে ব্যক্তি রোবটে পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলী বিকাশ, বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আনন্দ-উল্লাসের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যেই তাদেরকে মাঠ পর্যায়ের এই গবেষণায় নিয়ে আসা হয়েছে। 


দিনব্যাপী এই শিক্ষা সফর ও গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জন করেছেন, তেমনি গ্রামীণ নারীরাও তাদের স্বাস্থ্য জটিলতা নিয়ে সচেতন হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।