অতিবর্ষণে চারণভূমি জলমগ্ন স্বল্পমূল্যে গবাদিপশু বিক্রি হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলে
অরুণ কুমার বিশ্বাস, পাইকগছাা,(খুলনা) : গত ৪ দিনযাবৎ প্রবল বর্ষণের ফলে রাস্তাঘাট ,ঘেরের বাঁধ,মাঠ,ভেঁড়িবাঁধও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের পশু হাটগুলোতে গরু,ছাগল ও ভেড়ার মূল্য অস্বাভাবিক ভাবে নেমে গেছে।
দক্ষিণাঞ্চলের সুযোগ সন্ধানী ,ফড়িয়া ও কসাইরা গৃহস্থের দুরবস্থার সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে। কপিলমুনিসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন গরুÑছাগলের হাটে স্বাভাবিকের তুলনায় চারগুণ বেশী গরু,ছাগল ,ভেড়া আমদানি হচ্ছে।গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে শুক্রবারব দিনভর অবিরাম বৃষ্টিপাতের ফলে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও ভাঙ্গন এবং চরাঞ্চলে ভাঙ্গনের তীব্রতার কারণে গরু,ছাগল ও ভেড়া পালনকারীরা তাদের ছাগল ,ভেড়া হাটে নিয়ে আসছে। ছাগল পালনকারী এক বিধাবা মহিলা জানান, গ্রামাঞ্চলে ছাগল ভেড়াকে কখনো বেঁধে পালন করা হয়না। এদের সব সময় খোলা মাঠে চরানো হয়। চরানোর কাজ বাড়ির ছেলেমেয়েরা ও বৃদ্ধারা করে থাকে। বর্ষার সময় উচুঁ জায়গায় বেঁধে ছাগল ও ভেড়া চরানো হয়। বর্ষা মৌসুমে ছাগল ও ভেড়া ধীরে ধীরে বিক্রি করে দেয়া হয়।কিন্তু এবার খরা চলতে চলতে হঠাৎ করে প্রবল বর্ষণে মাঠ তলিয়ে যাওয়ায় এবং ভাঙ্গনের কারনে ছাগল,ভেড়া পালনকারীরা বিপাকে পড়ে গেছে।
মাত্র দু”সপ্তাহ আগে যে ছাগলের দাম ছিল ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা বর্তমানে সেই ছাগল বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩ থেকে ৩ হাজার ৫০০শত টাকায় । অপরদিকে ছাগল ,ভোড়ার দাম কমলেও মাংসের দাম কমেনি। হাট-বাজার গুলোতে আগের মতই ১হাজার ২০০শত টাকায় প্রতি কেজি খাসীর মাংস বিক্রি হচ্ছে।
প্রান্তিক চাষী ও ভ’মিহীন রাই ছাগল ভেড়া পালন করে থাকে। এরা ব্রাক,গ্রামীন ব্যাংক,মাংস বিক্রেতা সহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে থাকে।
