আশাশুনির শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের জীর্ণদশা
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) : আশাশুনি উপজেলার ১৬ নং শীতলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের জীর্ণদশায় অভিভাবক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। সংস্কারের অভাবে স্কুল ভবন নিয়ে নানা শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রত্যান্ত এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়টি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলে আসছিল। বিদ্যালয় ভবনের দুরাবস্থার কারনে ২০১৪ সালে নতুন ভবন নির্মান করা হয়। দীর্ঘ ১২ বছর আগে নির্মীত ভবনে লেখাপড়ার পরিবেশ বেশ উপযোগি। ১১০ জন ছাত্রছাত্রীর কোলাহলে ৬ জন শিক্ষক নিয়মিত ক্লাশ পরিচালনা করে থাকেন। বেশ নিয়ম মেনে, সুশৃংখল ব্যবস্থাপনায় স্কুলটি চলে আসছে। এলাকাবাসী, শিক্ষকমন্ডলী, বিভিন্ন এনজিও ও সরকারি সহায়তায় বিদ্যালয়ে স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সোলার সিস্টেম, আইপিএস ব্যবস্থা, কম্পিউটার, সিসি ক্যামেরাসহ অনেক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। এতকিছুর পরও বিদ্যালয় ভবন নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রতিকূলতা। ৩ তলা ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে পিলার বসে গেছে। এব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। পিলার বসে যাওয়ায় দরজা-জানালায় চাপ পড়েছে। দরজা ঠিকভাবে লাগছেনা। আকাবাঁকা হয়ে আছে। ভবনের অনেকস্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার কাজ না হওয়ায় পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। গাঁথনির ইট বেরিয়ে গেছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, বিল্ডিংয়ের অনেক স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে, পলেস্তারা খসে পড়েছে, রঙ চটে গেছে, স্টিল-লোহার রঙ করা দরকার। কয়েকটি এনজিও অনেক কাজ করে দিয়েছে। এজন্য সমস্যার অনেক সমাধান পাওয়া গেছে। তবে ভবনের সমস্যা ও সংস্কার কাজের সহযেগিতার অভাবে আমরা ভুগছি।
এলাকার জন প্রতিনিধি, বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্যরা উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ক্লাস্টার অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ঝয়কার ঢালী জানান, বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ বিদ্যালয় হিসাবে তালিকাভুক্ত এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর তালিকা প্রেরন করা হয়েছে। ভবনের এবটি পিলার বসে যাওয়ার বিষয়টি আমার জানাছিলনা, আগামীকাল খোঁজখবর নেওয়া হবে।
