ঢাকা বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ৪ ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২২ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

নড়াইলের কালিয়ায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট ২০২৬, বুধবার, সময়ঃ ১১.৪৯ এ.এম
নড়াইলের কালিয়ায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী
www.dailyranggaprovat.com

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নড়াইল প্রতিনিধি : “রুপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নড়াইলের কালিয়ায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় কালিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে এ সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিন দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ পুকুরে মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষীদের অংশগ্রহণে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় ৩জন মৎস্যচাষিকে মৎস্য সেক্টরে অবদান রাখার জন্য সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় ও উদ্যোক্তা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ, জলাশয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও কর্মসংস্থানে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে মৎস্যচাষী, মৎস্যজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জিন্নাতুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স. ম. ওয়াহিদুজ্জামান মিলু, শেখ শিহাব উদ্দিন, বিশ্বাস নওশের আলী, ডাঃ বুলবুল কবীর, মোঃ তরিকুল ইসলাম ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

উল্লেখ্য, ১৬ আগস্ট বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কালিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় দিনে ‘মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ে মতবিনিময় সভা এবং জনবহুল স্থানে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

তিন দিনের কর্মসূচিতে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাশয়ের সুরক্ষা ও টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবীদের উৎসাহিত করা হয়। আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় মৎস্যচাষী ও মৎস্যজীবীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।