দক্ষিণ রাউজানে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক ধর্মীয় নাটক "কৃষ্ণ হারা বৃন্দাবন"
মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী মা মগদ্বেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির অঙ্গনে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে বিশেষ ধর্মীয় নাটক "কৃষ্ণ হারা বৃন্দাবন"।
বিশিষ্ট নাট্যকার কুমার নিরঞ্জন-এর রচনায় নির্মিত নাটকটির সম্পাদনা ও নির্দেশনায় : রাজীব পাঠক।
সংগীত পরিচালনায় : চট্টলার বিশিষ্ট সুরকার মিলন আচার্য।
নেপথ্যে কন্ঠে : মিলন আচার্য ও লাকী আচার্য।
নাটকটি প্রযোজনা করছেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী মা মগদ্বেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদ।
পরিবেশনায় : সংলাপ থিয়েটার, চট্টগ্রাম।
নাটকের মূল উপজীব্য ও কাহিনী :
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যখন বৃন্দাবন ত্যাগ করে মথুরায় গমন করেন, তখন গোটা বৃন্দাবন যেন এক গভীর শূন্যতায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। গোপ-গোপী, সখা-সখী, নন্দ-যশোদা এবং সমগ্র বৃন্দাবনবাসী প্রিয় শ্রীকৃষ্ণের বিচ্ছেদ বেদনায় কাতর হয়ে ওঠেন। সেই বিচ্ছেদের বেদনা, প্রেম, ভক্তি এবং কৃষ্ণপ্রেমে উদ্বেলিত বৃন্দাবনের হৃদয়স্পর্শী অনুভূতিই এই নাটকের মূল উপজীব্য।
নাটকটিতে তুলে ধরা হয়েছে বৃন্দাবনের মানুষের অসীম কৃষ্ণভক্তি, শ্রীকৃষ্ণের শৈশব স্মৃতি এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে বৃন্দাবনের নিঃসঙ্গ ও বেদনাময় পরিবেশ। একই সঙ্গে নাটকটি দর্শকদের সামনে ভক্তি, প্রেম ও আত্মত্যাগের এক অনন্য বার্তা পৌঁছে দেবে বলে আয়োজকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
অভিনয় শিল্পী ও কলাকুশলীবৃন্দ
নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে রূপদান করবেন স্থানীয় ও আমন্ত্রিত একঝাঁক প্রতিভাবান নাট্যশিল্পী। নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবেন-
শ্রীকৃষ্ণ: সুজন দাশ
বলরাম: রাজীব মল্লিক
বীতংস: তীলেশ পারিয়াল
সুধাম: শংকর চৌধুরী
বসুধাম: অসীম চৌধুরী বাসু
শ্রীধাম: তন্ময় দাশ গুপ্ত পিকলু
নন্দরাজ: দোলন কৃষ্ণ ঘোষ
আয়ান ঘোষ: অমল কান্তি দে
শিব: প্রদীপ্ত তালুকদার
মাকালী: সায়ন্তি দাশ গুপ্তা কোমল
ছোট কৃষ্ণ: তীর্থ মহাজন অর্জুন
ব্রাহ্মণ: মোশারফ হোসেন
কালান্তর: অ্যাডভোকেট শিবু প্রসাদ ভদ্র
দয়ানাথ: মাষ্টার সমীর চন্দ্র দে
নিমে বাগ্দী: রিটন কান্তি দে
কৃপাচার্য: রাজীব পাঠক
রাধা: অর্থি ভট্টাচার্য
অস্তি: শিপ্রা চৌধুরী
কুটিলা: চৈতী সেন
রুক্মিনি: বৈশাখী
স্মারক : জীবন চন্দ্র দে।
আমন্ত্রন ও প্রত্যাশা :
মন্দির পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ধর্মপ্রাণ সনাতনী ভক্তবৃন্দ ও সর্বস্তরের দর্শকদের এই ব্যতিক্রমী ধর্মীয় নাটকটি উপভোগ করার জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, নাটকটি দর্শকদের মাঝে ভক্তি, মানবতা ও শ্রীকৃষ্ণপ্রেমের চিরন্তন বার্তা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে এবং এলাকায় এক উৎসবমুখর ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি করবে।
