ঢাকা মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২৬ ২০ ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৭ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

মহম্মদপুরে কৃষকরা পেলেন গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ, সার ও ড্রাম

প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০২৬, সোমবার, সময়ঃ ০৫.০০ পি.এম
মহম্মদপুরে কৃষকরা পেলেন গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ, সার ও ড্রাম
www.dailyranggaprovat.com

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুরে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ কন্দ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও বীজ সংরক্ষণের ড্রাম বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (০৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পিযুষ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেতবতী মিস্ত্রী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মাগুরার অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) প্রকাশ চন্দ্র সরকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত সেন বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো: মৈমুর আলী মৃধা, কাজী সালিমুল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: ইউনুস আলী সরদার, প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুদ রানা। এ সময় স্থানীয় কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রণোদনাপ্রাপ্ত প্রান্তিক কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

​বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পীযূষ রায় বলেন, "আমরা গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। কৃষকরা যাতে নিজেরাই বীজ উৎপাদন ও মানসম্মত উপায়ে তা সংরক্ষণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে কৃষকদের আর অন্য কোনো সংস্থা বা বিএডিসি’র ওপর বীজের জন্য নির্ভর করতে হবে না।"

​কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধিতে উপজেলার নির্বাচিত ৬০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হয়। 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,  প্রতিজন কৃষককে বিনামূল্যে ১৬০ কেজি (৪ মণ) পেঁয়াজ কন্দ, ২০ কেজি ডিএপি সার, ২০ কেজি এমওপি সার, ১ কেজি কীটনাশক এবং ১টি করে বীজ সংরক্ষণ পাত্র (ড্রাম) প্রদান করা হয়েছে।

​বিতরণ শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ সকল প্রণোদনাপ্রাপ্ত কৃষকদের বৈজ্ঞানিক উপায়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং সরবরাহকৃত উপকরণসমূহের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে কাঙ্ক্ষিত ফলন অর্জনের আহ্বান জানান।