ডুমুরিয়ায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে এমপি লবি
গৌতম রাহা, ডুমুরিয়া (খুলনা) : খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য রেলপথ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী আসগার লবি বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যলঘু বলে কোন ভেদাভেদ নেই, আমাদের পরিচয় একটাই আমরা সবাই বাংলাদেশী। হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খৃষ্টান সবাই হাতে হাত রেখে কাাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই দেশটাকে গড়তে হবে। আর দেশকে গড়তে হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মঙ্গলবার সারাদিন ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনের অংশ হিসেবে চুকনগর শ্রীশ্রী সবর্বমঙ্গলা মাতৃ মন্দির তীর্থ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে পূজা উদযাপন কমিটি ও মন্দিরে আগত ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। বিগত নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে স্বতঃস্ফুর্ত সমর্থন দেওয়ার জন্য অত্র এলাকার সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।মন্দির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জয়দেব আঢ্য'র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ দেবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেযারম্যান খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ এসএম শফিকুল আলম মনা। তিনি বলেন, হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লীলাভুমি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। আমরা সবাই নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব স্বাধীনভাবে পালন করব, তাতে কেউ যেন বাঁধার কারন না হয় সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মোল্যা মেশাররফ হোসেন মফিজ, সাবেক সদস্য সচিব সরদার আব্দুল মালেক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা লাভলী রহমান, আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শেখ হেলাল উদ্দিন, সভাপতি এম এ সালাম, বিএম হাবিবুর রহমান হবি, সরদার দৌলত হোসেন ও চুকনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সরদার বিল্লাল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি রমেন রায়, বিএনপি নেতা রুহুল আমীন বিশ্বাস, কবির হাসান ডাবলু, শেখ কামাল হোসেন, শেখ আব্দুল কাদের, শেখ মফিজুল ইসলাম, জয়দেব মন্ডল, দেবব্রত রায়, আবু বক্কার মোল্লা প্রমুখ। এসময় তিনি উপজেলার আটলিয়া, মাগুরাঘোনা ও শোভনা ইউনিয়নের বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শণ করেন। এসময় তিনি পুজা উদযাপন কমিটি ও মন্দিরে আগত ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতিটি মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন ।
