ঢাকা রোববার ০১ নভেম্বর ২০২৬ ১৬ ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৭ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

কলারোয়ায় ৯ ফলব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, সময়ঃ ০৬.০৫ পি.এম
কলারোয়ায় ৯ ফলব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা
www.dailyranggaprovat.com

শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার কলারোয়া বাজারে রাস্তা দখল করে ফল বিক্রি করার অভিযোগে ৯ ফলব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৮ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া রাস্তার পাশের এক দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট জব্দ করে তা বিনষ্ট করা হয়। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম কলারোয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন । দীর্ঘদিন ধরে এসব ফলব্যবসায়ীরা রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ায় যানজট স্থায়ী রূপ নেয়। তাদের দফায় দফায় পৌর কর্তৃপক্ষ সতর্ক করলেও তারা ভ্রুক্ষেপ করেনি। নির্দেশনা অমান্য করায় স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর ১০৮(৭) ধারায় ফলব্যবসায়ী আজমল হোসেনসহ ৯ ফলব্যবসায়ীর প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দ করা বিএসটিআই-এর অনুমোদনবিহীন মেয়াদোত্তীর্ণ দুই প্যাকেট খোলা বিস্কুট বিনষ্ট করে তা বেত্রবতী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএমএ সোহেল, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আবু মুসা, কলরোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী আব্দুল মান্নান প্রমুখ। 


ছবি আছে: 


কলারোয়া বাজারে ডেঙ্গু সচেতনতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রচারাভিযান



শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু,

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে কলারোয়া বাজারে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তিনি পায়ে হেঁটে কলারোয়া বাজারের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করেন। এ সময় তিনি ব্যবসায়ী ও পথচারীদের হাতে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক প্রচারপত্র তুলে দেন।


উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার বংশবিস্তারের অন্যতম কারণ হলো অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি। তাই বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে পারে—এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া তিনি বাজারের বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট পাত্রে রেখে দেওয়ার নির্দেশনা দেন। যাতে পরিছন্নতাকর্মীরা সহজে সেটি সরিয়ে নিতে পারে।   

তিনি আরও বলেন বলেন, “নিজে সচেতন হই, অন্যকেও ডেঙ্গু সম্পর্কে সচেতন করি। চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে পারলে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।”এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলারোয়া বাজারে অনুরূপ প্রচারাভিযান পরিচালনা করেন।   

প্রচারাভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম এনামুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এসএমএ সোহেল, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আবু মুসা, কলারোয়া পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা তুষার কান্তি দাস, পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফ হোসেন, কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ সাজেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংবাদিক জাহিদুল ইসলামসহ স্কাউটস এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।