তেরখাদায় ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, মামলা দায়ের
তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি : বুধবার ৫ আগস্ট সকাল সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার বসুন্দারীতলা গ্রামে আঠারোবেকী নদীর পাড়ে লম্পট রাজু মোল্যা কর্তৃক ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা। থানা পুলিশ গতকাল সকালেই লম্পট রাজু মোল্যা (৫৮) কে আটক করেছে। সে বসুন্দারীতলা গ্রামের মৃত আবু মোল্যার পুত্র। পুলিশ, এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ৫ আগস্ট সকাল সোয়া ৭টার দিকে দাদার নিকট থেকে ৫টাকা নিয়ে "পাতলে ডাঙ্গা ও বসুন্দারীতলা হাফেজিয়া কওমীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার" শিশু শ্রেণির ছাত্রী লম্পট রাজু মোলার দোকানে খাবার কিনতে যায়। এ সময় সুকৌশলে দোকানী রাজু মোল্যা ওই শিশুটিকে দোকান সংলগ্ন ঘরে নিয়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শিশুটির পায়জামা খুলে ফেলে। রাজু মোল্যা ধর্ষণের প্রস্তুতি নেয়ার সময়ে হটাৎ একই পাড়ার বোরহান সরদারের কন্যা হাবিবা খাতুন (১৭) রাজু মোল্যার দোকানে ডিম কিনতে যায়। সে দোকানদারকে না পেয়ে ডাকাডাকি করে। এক পর্যায়ে দোকানী রাজু মোল্যা শিশুটিকে ছেড়ে দিয়ে তার ঘর থেকে বের হয়ে দোকানে আসে। এ সুযোগে শিশুটি অসংলগ্ন কাপড় পরিহিত অবস্থায় রাজুর ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করতে করতে গিয়ে ঘটনাটি তার মায়ের কাছে জানায়। এ সময় তার মাতা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানায় এবং স্থানীয় লোকজন বখাটে রাজু মোল্যাকে ধরে রাখে। মুহূর্তের মধ্যে তেরখাদা থানার ওসি মোঃ শহীদুল্লাহ'র নির্দেশে ওসি তদন্ত মোঃ তহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তিনি লম্পট রাজু মোল্যাকে আটক করেন এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করেন। পরে এ ঘটনার খবর জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ তাহ্ মিনা সুলতানা নীলা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার এস এম নুরুন্নবী ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে গিয়ে ভিকটিমের সার্বিক খোঁজ খবর নেন। ভিকটিমের মাকে সান্তনা দেন এবং আইনী সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ তাহমিনা সুলতানা নীলা এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল্লাহ কে পরামর্শ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে শিশু কন্যার মাতা বাদী হয়ে রাজু মোলাকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-০২, তারিখ-০৫/০৮/২০২৬ইং।
