ঢাকা বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২৬ ২২ ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৯ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

দৌলতপুরে পদ্মার পাড় ধসে ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ

প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২৬, বুধবার, সময়ঃ ১১.১৫ পি.এম
দৌলতপুরে পদ্মার পাড় ধসে ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ
www.dailyranggaprovat.com

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পাড় ধসে ৫ বছরের শিশু নিখোঁজ হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর পাড় ধসে নুরিয়া খাতুন নামে ৫ বছরের ওই শিশু নিখোঁজ হয়। এসময় নদীতে পড়ে যাওয়া জামিলা খাতুন নামে অপর এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ শিশু নুরিয়া খাতুন (৫) একই এলাকার আশিক শেখের মেয়ে এবং জীবিত উদ্ধার হওয়া শিশু জামিলা খাতুন স্থানীয় ইজাজুল মণ্ডলের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছিল। এ সময় নুরিয়া ও জামিলা জিও ব্যাগের ওপর বসে খেলছিল। হঠাৎ নদীর পাড় ধসে জিও ব্যাগসহ দুই শিশু পদ্মায় পড়ে যায়। জামিলা নিজেই কোনোমতে নদী থেকে ওপরে উঠে আসতে সক্ষম হলেও নুরিয়া নদীর প্রবল স্রোতে তলিয়ে যায়।

পরে জামিলা কান্নাকাটি করতে করতে স্থানীয়দের ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী দ্রুত নদীর আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নুরিয়ার কোনো সন্ধান মেলেনি।

নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল, ফায়ার সার্ভিস এবং দৌলতপুর থানা পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে শিশুটিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নিখোঁজ শিশু উদ্ধারের বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, পদ্মার পাড় ধসে দুই শিশু নদীতে পড়ে যায়। এর মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও নুরিয়া নামে এক শিশুকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধারে দৌলতপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন।

ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বলেন, শিশু নিখোঁজের খবর পেয়ে আমাদের একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় শিশুটি ভেসে অন্যত্র চলে যেতে পারে। তবুও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ শিশু নুরিয়া খাতুনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।