বিদেশি পাঠানোর কথা বলে টাকা নিয়ে পলাতক গোপালগঞ্জের দালাল নূর আলম
রাঙা প্রভাত ডেস্ক : কুখ্যাত দালাল পরিচিয়ে পরিচিত গোপালগঞ্জের মো: নূর আলম মোল্লা। অন্যের টাকা নিজের পকেটে ভড়ার নেশা ছিলো তার। তাই অন্য লোকের টাকায় বিলাসিতা করে ঘুরে বেড়াতেন বিভিন্ন দেশে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গা ঢাকা দিয়েছে সৌদি আরবের মক্কা শহরে।
ইউরোপীয় দেশ পোল্যান্ডে ভালো বেতনের চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে ছিলেন ঝালকাঠির মো: মাজহারুল ইসলামকে। তার কাছ থেকে টাকাসহ হাতিয়ে নিয়ে গেছে পাসপোর্ট। বউয়ের গয়নাঘাটি বিক্রয় টাকা, আত্নীয় স্বজনের কাছ থেকে ধার এনে টাকা সরলমনে সবই দালাল নূর আলম মোল্লার হাতে তুলে দিয়েছিলো মাজহারুল। মাজহারুল ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলার উত্তর মানপাশা গ্রামের আব্দুস সালাম তালুকদারের ছেলে। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো ইউরোপ দেশে যাওয়ার। সেই স্বপ্ন ভেঙে দিলো নুর আলম দালাল। সহজ-সরল মানুষকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখানো ছিল তার প্রধান কৌশল এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাজহারুল ইসলাম। প্রতারণার শিকার পরিবারটি এখন সর্বস্বান্ত হয়ে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে, জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার বটতলা এলাকার মো: নূর আলম মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে দালালি ব্যবসা করতো। ২০২৪ সালে ঢাকায় পরিচয়ের মাধ্যমে মো: মাজহারুল ইসলাম কে ইউরোপের পোল্যান্ড দেশের ভিসা দেখিয়ে নগদ দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং বন্ধুর ব্যাংক একাউন্টে একলক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টে ৫০ হাজার টাকা এবং পাসপোর্ট সহ মোট সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছে মাজহারুল নূর আলমের বিরুদ্ধে।
প্রতারিত ভুক্তভোগী মো: মাহজারুল ইসলামের অভিযোগ, নূর আলম মোল্লা ফোন ধরে না, কখনো ফোন ধরলেও বিভিন্ন হুমকিসহ লোকদ্বারা প্রাণনাশকের ভয় দেখিয়ে টাকা পাওনা অস্বীকার করে নানা টালবাহানা করছে।
প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া দালাল চক্রের এই সদস্য ধরা পড়বে না—এটাই ভুক্তভোগীর আর্তি।
