ঢাকা শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ২২ ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৪ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

কালিগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের পিতা শামসুদ্দিন আর নেই

প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, শনিবার, সময়ঃ ০৬.২২ পি.এম
কালিগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের পিতা শামসুদ্দিন আর নেই
www.dailyranggaprovat.com

সুকুমার দাশ বাচ্চু, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর পিতা  বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সাবেক উপ-প্রকৌশলী ও সাহিত্যপ্রেমী আলহাজ্ব শামসুদ্দিন গাজী মৃত্যু বরণ করেছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামে নিজ বাসভবনে  বার্ধক্য জনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল (৮৭) বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

কর্মজীবনে তিনি উপ-প্রকৌশলী হিসেবে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ফুলতলা, ফকিরহাট, বাগেরহাট এবং সর্বশেষ সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে ১৯৯৫ সালে তিনি সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন শামসুদ্দিন গাজী। উপন্যাস, কবিতা ও গল্প রচনার পাশাপাশি সাহিত্য অনুবাদেও তাঁর আগ্রহ ছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ওমর খৈয়ামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রুবাইয়াত-ই-খৈয়াম’-এর বাংলা অনুবাদ। সাহিত্য ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে একজন সাহিত্যপ্রেমী ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সাহিত্যপ্রেমী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা  জ্ঞাপন করেছেন  প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ  সাংবাদিকবৃন্দ। 

মরহুমের  বড় ছেলে আশেক মেহেদী  সেনাবাহিনীর চাকরি করে , অবসরের পর পরবর্তীতে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক ও শিল্পকলা একাডেমী সদস্য  কালিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সদস্য ছিলেন    মেজো ছেলে সাঈদ  মেহেদী  কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান  জানান, শনিবার বাদ মাগরিব উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের পানিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে   তাঁকে দাফন করা হয়।