জাহাঙ্গীর লস্কর তেরখাদার আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত
তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার তেরখাদা উপজেলার আজগড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আজগড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ জাহাঙ্গীর লস্কর।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে বিদ্যালয় পরিদর্শক মু. ইনামুল কবীর স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর লস্কর বলেন, বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে নানা দিক থেকে অবহেলা ও উন্নয়নবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অতীতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি।
তিনি বলেন, "বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাবো। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।"
তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষার্থীদের পাঠদানের স্থান নয়; এটি একটি এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তাই বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাবেক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চান তিনি।
জাহাঙ্গীর লস্কর বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বয় এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন এডহক কমিটির নেতৃত্বে বিআরবি আজগড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ঘাটতি কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, অবকাঠামো ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নতুন গতি পাবে। পাশাপাশি এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
