ঢাকা বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৮ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

হতদরিদ্র দুটি পরিবার পেল বেঁচে থাকার অবলম্বন, প্রশংসায় ভাসছেন মানবিক ইউএনও সুজা

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, সময়ঃ ০৮.২৮ পি.এম
হতদরিদ্র দুটি পরিবার পেল বেঁচে থাকার অবলম্বন, প্রশংসায় ভাসছেন মানবিক ইউএনও সুজা
www.dailyranggaprovat.com

বরিশাল প্রতিনিধি : প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক কর্মকান্ডে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার মানবিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা।

সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রতিনিয়ত ছুটে যাচ্ছেন এলাকার অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে।

তার এই মানবিক উদ্যোগগুলো সর্বমহলে যেমন প্রশংসিত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা তৈরি করেছে।

উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চরম আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন উপজেলার গড়িয়া গ্রামের রফিক গোমস্তা ও পুর্ব ধামুরা গ্রামের মিলন বিশ্বাস। তাদের দুইজনকে গত ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে দুইটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ভ্যান বিতরনের সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রুবেল হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আফম সামসুদ্দোহা আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মনির মল্লিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুব গোমস্তা, সদস্য সচিব কাইয়ুম খান প্রমুখ। 

জানা গেছে, অর্থাভাবে ওই দুটি পরিবারের চরম দুর্দীন চলছিলো। পরিবারের সদস্যদের ভরন পোষনসহ চিকিৎসা ও সন্তানদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।

সূত্রে আরও জানা গেছে, ওই দুটি পরিবারের এ চরম অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন মানবিক ইউএনও মে. আলী সুজা। 

সরকারিভাবে এ সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পরেন হতদরিদ্র ওই দুটি পরিবার।

রফিক গোমস্তা ও মিলন বিশ্বাস বলেন, আমরা খুবই অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলাম। কোনোদিন ভাবিনি একজন বড় সরকারি অফিসার আমাদেরকে এ সহায়তা প্রদান করবেন। তারা আরও বলেছেন, ইউএনও স্যারের এই অবদান আমরা কোনোদিনও ভুলব না। 

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা বলেন, প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মী হিসেবে মানুষের দোরগোড়ায় যথাযথ সেবা ও সরকারের কল্যাণমূলক কর্মকান্ড পৌঁছে দেয়াই হচ্ছে আমার প্রধান লক্ষ্য। 

তিনি আরও বলেছেন, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন মানুষ হিসেবে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমার এই ছোট উদ্যোগে যদি একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটে তবেই আমার কাজের প্রকৃত স্বার্থকতা।