ঢাকা শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮ ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩৮ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

মাগুরার শালিখায় ফটকী নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, সময়ঃ ০৮.২৩ পি.এম
মাগুরার শালিখায় ফটকী নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত
www.dailyranggaprovat.com

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে মাগুরার শালিখা উপজেলার বড়শলুই ফটকী নদীতে উৎসবমুখর পরিবেশে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আয়োজিত এ নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই তীরে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের সমাগম ঘটে। ঢাক-ঢোল, বাদ্যযন্ত্র ও দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক আনন্দমুখর উৎসবস্থলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

 বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে নবজাগরণের সূচনা হয়েছে। আমাদের সমৃদ্ধ লোকঐতিহ্য, দেশীয় খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। নৌকাবাইচসহ গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সকল খেলা ও সংস্কৃতি চর্চার প্রসারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, নৌকাবাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি বাংলার নদীমাতৃক জীবন, লোকঐতিহ্য ও গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, আনন্দ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। নদীর দুই কূল ছাপিয়ে হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও বিনোদনের প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনও অটুট রয়েছে।

মন্ত্রী গ্রামবাংলার অকৃত্রিম আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও লোকজ সংস্কৃতির চর্চা সারা দেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশীয় খেলাধুলা ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।

উৎসবমুখর এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন এলাকার একাধিক নৌকা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় গঙ্গারামপুরের নৌকা প্রথম স্থান অধিকার করে। 

প্রতিযোগিতা শেষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।