ঢাকা সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ২০ ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৪০ ই জিলহজ, ১৪৪৮ হিজরী
Ad

মৌলভীবাজারে ৪ মাসের শিশুকে অপহরণের চেষ্টা, ১ নারীসহ ৩ জন আটক

প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, রোববার, সময়ঃ ১০.০২ পি.এম
মৌলভীবাজারে ৪ মাসের শিশুকে অপহরণের চেষ্টা, ১ নারীসহ ৩ জন আটক
www.dailyranggaprovat.com

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারে মাত্র চার মাসের এক দুগ্ধপোষ্য শিশুকে অপহরণ করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা এক নারীসহ তিন অপহরণকারীকে হাতেনাতে আটক করেছে। উদ্ধারের পর অক্ষত অবস্থায় শিশুটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার(৪ অক্টোবর)  ভোরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭ নম্বর চাঁদনিঘাট ইউনিয়নের শ্যামেরকোনা এলাকা থেকে চার মাসের শিশুটিকে কৌশলে চুরির চেষ্টা চালায় দুই যুবক ও এক নারী সমন্বয়ে গঠিত একটি সংঘবদ্ধ চক্র। অপহৃত শিশুকে নিয়ে তারা চৈত্রঘাট বাজার পয়েন্ট হয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় স্থানীয় পথচারীদের সন্দেহ হয়ে উঠে ।তারা ভাবে সাত সকালে অপরিচিত ব্যক্তিদের কোলে এত ছোট শিশু দেখে এলাকাবাসীর মনে সন্দেহ দৃঢ় হয়। চৈত্রঘাট বাজারে পৌঁছানোর পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ওই চক্রের সদস্যরা অপ্রাসঙ্গিক ও অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে। তাদের কথাবর্তায় অসঙ্গতি পাওয়ায় স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে ঘিরে ফেলে আটক করেন।

পরবর্তীকালে শ্যামেরকোনা এলাকা থেকে শিশুটি চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়া মাত্রই ক্ষুব্ধ জনতা শিশুটিকে উদ্ধার করে অবিলম্বে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়। হারিয়ে যাওয়া চার মাসের সন্তানকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিশুটির মা ও স্বজনেরা।

ঘটনার পর চৈত্রঘাট এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ইউপি মেম্বারের সামছুল ইসলামের উপস্থিতিতে অভিযুক্তদের আটকে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও মুরব্বিরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। আসামীদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে রাজনগর থানা এলাকার সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, ফলে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এবিষয়ে ইউপি মেম্বারের সামছুল ইসলামের বলেন দুজন যুবক ও একজন মহিলা কুলে করে ভোরবেলা শিশুটিকে নিয়ে যাচ্ছে। চৈত্রঘাট এলাকাবাসী সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিক তৎপরতার কারণেই অবোধ শিশুটি এক মর্মান্তিক পরিণতি থেকে বেঁচে গেছ এবং অপরাধীদেরকে আটক করে পুলিশের সোপর্দ দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।