২২ বছর কারাবন্দী, ফাঁসির দণ্ড পাওয়া কয়েদির হাসপাতালে মৃত্যু
বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ২২ বছর ধরে বন্দী ছিলেন সুলতান হাওলাদার (৬৪)। একটি হত্যা মামলায় ২০০৪ সালে তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে মারা গেছেন তিনি।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সকাল আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুলতানের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু ইউসুফ।
সুলতান হাওলাদার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আবদুর রব হাওলাদারের ছেলে।
জেলার আবু ইউসুফ বলেন, একটি হত্যা মামলায় ২০০৪ সালে আদালত সুলতান হাওলাদারকে ফাঁসির আদেশ দেন। এরপর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, সুলতান হৃদ্রোগে আক্রান্ত ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, মৃত্যুর পর তাঁর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলার আবু ইউসুফ।
বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলেন, সুলতান হাওলাদার একটি হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। তবে মামলাটির বিস্তারিত তথ্য তাঁদের কাছে নেই। ফলে কোন হত্যাকাণ্ডের মামলায় তাঁর ফাঁসির আদেশ হয়েছিল, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
